Advertisement
E-Paper

কাজে ছোট ভুলেও অন্যের বড় ক্ষতি হতে পারে! প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ প্রকল্পের পড়ুয়াদের সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী জানান, কোনও সংস্থায় কাজের সময়ে প্রতিটা মুহূর্তকে নিখুঁত করার চেষ্টা করা উচিত। কারণ, একজন কর্মীর অসাবধানতার ফল শেষ পর্যন্ত অন্য কোনও নির্দোষ গ্রাহক বা মানুষকে ভুগতে হয়। একটি বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থার উদাহরণ দিয়ে নির্মলা সীতারমণ পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ অগস্ট ২০২৬ ১৭:৪৩

ছবি: সমাজমাধ্যম থেকে সংগৃহীত।

কর্মক্ষেত্রে সামান্যতম ভুলেও অন্যকে কত বড় মাশুল গুনতে হতে পারে, সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। নয়া দিল্লিতে আয়োজিত ‘প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম’ (পিএমআইএস)-এর এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের তরুণ ইন্টার্নদের সতর্কতার সঙ্গে এবং নিখুঁত ভাবে দায়িত্ব পালনের পরামর্শ দেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী জানান, কোনও সংস্থায় কাজের সময়ে প্রতিটা মুহূর্তকে নিখুঁত করার চেষ্টা করা উচিত, কারণ একজন কর্মীর অসাবধানতার ফল শেষ পর্যন্ত অন্য কোনও নির্দোষ গ্রাহক বা মানুষকে ভুগতে হয়। একটি বাইক প্রস্তুতকারী সংস্থার উদাহরণ দিয়ে নির্মলা পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, একটি মোটরবাইক তৈরির সময়ে কোনও একটি ছোট যন্ত্রাংশ তৈরিতে যদি সামান্য ভুল থেকে যায়, তবে তার চরম মাশুল দিতে হয় বাইকের ক্রেতাকে। সেই ভুলের কারণে ক্রেতার বড়সড় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি তাঁর প্রাণসংশয় পর্যন্ত হতে পারে। ঠিক একই ভাবে ব্যাঙ্কিং বা ডিজিটাল ডেটা সংরক্ষণের মতো ক্ষেত্রেও অসাবধানতায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বরে বা নামের সামান্য ভুল বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। অর্থমন্ত্রীর কথায়, ‘‘নিজের কাজ করার সময়ে মাথায় রাখা দরকার— ভুলের পরিণতি কিন্তু আপনাকে ভুগতে হবে না, ভুগতে হবে অন্য কাউকে।’’ কাজের দক্ষতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির জন্য অর্থমন্ত্রী তরুণ প্রজন্মকে নির্দেশ দেন, তাঁরা যে সেক্টরেই কাজ করুন না কেন— ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্যাঙ্কিং কিংবা ডিজিটাল ডেটা প্রসেসিং— চূড়ান্ত পরিণতি ও গ্রাহকের কথা সর্বদা মাথায় রাখা দরকার। তিনি যোগ করেন, ‘‘যেখানেই কাজ করুন না কেন, ওই মুহূর্তে যদি নিখুঁত না হন, তবে আপনার একটি ছোট ভুলেও বহু দূর পর্যন্ত প্রভাব পড়তে পারে।’’ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ ইন্টার্নরা ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের দক্ষ করে গড়ে তুলছেন, যা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতেও অবদান রাখবে।

উল্লেখ্য, ‘প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম’-এর উদ্দেশ্য হল দেশের শীর্ষ ৫০০টি সংস্থায় তরুণদের হাতেকলমে কাজের অভিজ্ঞতা দেওয়া। শিক্ষার্থীদের পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রের বাস্তবিক প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে পরিচিত করতেই ১২ মাসের এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

Nirmala Sitharaman intern

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy