Advertisement
E-Paper

জনগণনার কাজে যুক্ত শিক্ষকদের বদলি নয়, নির্দেশিকা স্কুলশিক্ষা দফতরের, সিঁদুরে মেঘে আশঙ্কিত শিক্ষকদের একাংশ

সাধারণ বদলিপ্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। পোর্টালের মাধ্যমে শুধু আপস-বদলি চালু রয়েছে। তা ছাড়া, যাঁরা আদালতের মাধ্যমে বদলির আবেদন করেছেন, তাঁদের বদলি চলছে এই সময়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৪০

ছবি: এ আই সহায়তায় প্রণীত।

জনগণনার কাজে শিক্ষকদের যুক্ত করা নিয়ে প্রথম থেকে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এত প্রশাসনিক কাজ করলে শিক্ষকেরা পঠনপাঠনে মন দেবেন কখন? উঠছিল প্রশ্ন। এ বারে নতুন করে বিতর্ক মাথাচাড়া দিল স্কুলশিক্ষা দফতরের নতুন এক বিজ্ঞপ্তিতে।

মঙ্গলবার দফতরের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে জনগণনার কাজে যুক্ত রয়েছেন, এমন কোনও কর্মী বা আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। এমনকি এই সময়ের মধ্যে বদলিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা কোনও শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীকে ‘রিলিজ় অর্ডার’ দেওয়া যাবে না। এ জন্য বিজ্ঞপ্তিতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় ধার্য করা হয়েছে। এখানেই আপত্তি শিক্ষকদের একাংশের।

অভিযোগ, জনগণনার প্রথম পর্যায়ের কাজ সম্পূর্ণ হচ্ছে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। অথচ, ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কাউকে বদলি করা যাবে না। এই বাড়তি ১৫ দিন সময়ের উল্লেখ কেন করা হল, তা জানতে চান শিক্ষকেরা।

সেনসাস কর্মী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “আদালতের নির্দেশে অনেকের বদলি হচ্ছে। যে ভাবে এই বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের রিলিজ় দিতেও নিষেধ করা হয়েছে সেখানে ওই ধরনের বদলিও বন্ধ হয়ে যাবে। পোর্টাল থেকেও তো সাধারণ বদলি করা যাচ্ছে না।’’

তিনি জানান, সাধারণত আপস-বদলি এবং আদালতের নির্দেশের ক্ষেত্রে স্কুল সার্ভিস কমিশনের থেকে সুপারিশ পাওয়ার পরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে বদলির নির্দেশ হাতে পান শিক্ষকেরা। তার পর সংশ্লিষ্ট স্কুল থেকে রিলিজ় নিতে হয়। কিন্তু এই নির্দেশের ফলে পর্ষদের তরফে অনুমতি পেলেও স্কুল থেকে ছাড়পত্র পাবেন না। এতেই আশঙ্কিত শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের প্রশ্ন, তা হলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বদলি আটকে দিতে চাইছে সরকার? ওই সময় পর্যন্তই চলবে জনগণনা।

শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, “জনগণনার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত নন, তাঁদের বদলিপ্রক্রিয়াও কি যথাযথ ভাবে হচ্ছে? পোর্টালে বহু অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। সেগুলি যদি ঠিক করা না হয়, তা হলে বদলিপ্রক্রিয়া চালু রাখা বা না-রাখা, দুই-ই সমান।” তাঁর দাবি, হাই স্কুলগুলোর ক্ষেত্রে আলাদা ভাবে নির্দেশিকা (এসওপি) প্রকাশ হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন। এখনও তা হয়নি।

স্কুলশিক্ষা দফতরের তরফে অবশ্য এ বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। এক জেলার স্কুল পরিদর্শক জানান, নির্দেশিকা হাতে পেলে সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

School education department

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy