উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্কুলগুলিতে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সি পড়ুয়াদের আধার সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে উদ্যোগী হল জেলা স্কুল পরিদর্শকের কার্যালয়। পড়ুয়াদের নতুন আধার নথিভুক্তি এবং বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক আপডেটের কাজ অবিলম্বে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মর্মে জেলার সব স্কুলের প্রধান শিক্ষক, স্কুল পরিদর্শক এবং আধার অপারেটরদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করেছেন জেলা স্কুল পরিদর্শক।
নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আপাতত ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সি পড়ুয়াদের নতুন আধার নথিভুক্তি এবং বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক আপডেটের কাজই করা হবে। এই পরিষেবা চালু রাখার জন্য নির্দিষ্ট আধার কেন্দ্রগুলিকে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন খুলে রাখতে হবে।
কোন বয়সের পড়ুয়াদের কী ধরনের আধার পরিষেবা প্রয়োজন, তা বিবেচনা করে ব্লকের স্কুল পরিদর্শক এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের স্কুলের প্রধানশিক্ষককে যৌথ ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি তৈরি করতে হবে। সেই সময়সূচি ইমেলের মাধ্যমে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আধার পরিষেবার কাজ সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য অপারেটরদের উপস্থিতির উপরেও নজরদারির কথা বলা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে আধার অপারেটর কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রধানশিক্ষক এবং অপারেটরের মূল স্কুলের প্রধানশিক্ষককে নিশ্চিত করতে হবে।
আধারকেন্দ্র চালানোর প্রয়োজনীয় খরচের বিষয়েও নির্দেশিকায় উল্লেখ রয়েছে। চার্জার, প্রিন্টারের কালি, কাগজ কেনা এবং সামান্য মেরামতির মতো খরচ মেটাতে স্কুলগুলি তাদের কম্পোজ়িট গ্র্যান্টের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে। পরে খরচের হিসাব-সহ প্রয়োজনীয় ইউটিলাইজ়েশন সার্টিফিকেট এবং বিল স্কুলশিক্ষা অধিকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।