পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় অভিযোগ আর সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে আগ্রহী ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। তার জন্য দেশের পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি উপদেশনামা প্রকাশ করেছে তারা। তাতে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে পরীক্ষার্থীদের সমস্যার কথা সঠিক সময়ে, সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঠিক কী কী করা দরকার? কী করলেই বা সেই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করতে পারবে এনটিএ।
নিট ইউজি, জেইই মেন এবং সিইউইটি-র মতো দেশের বেশ কিছু বড় মাপের সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে এনটিএ। আবার সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন স্বয়ংশাসিত ওই সংস্থা গত কয়েক মাসে বিতর্কেও জড়িয়েছে নানা কারণে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রবেশিকা নিট ইউজির প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় প্রকাশ্যে এসেছে সংস্থাটির একের পর এক পরিকাঠামোগত গাফিলতির বিষয়। অবশেষে নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এনটিএ-কে ঢেলে সাজার সিদ্ধান্ত নেন। তার পর থেকেই সংস্থাটির পরিচালন পদ্ধতিতে নিত্যনতুন সংস্কার হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়াতেই নবতম সংযোজন এই উপদেশনামা। যেখানে পরীক্ষার্থী এবং পরীক্ষার আয়োজক সংস্থার মধ্যে যোগাযোগের পথটি আরও দ্রুত, সহজ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সমাজমাধ্যমে এ ব্যাপারে একটি পোস্ট করেছে এনটিএ। সেখানে তারা লিখেছে, প্রতিদিন ই-মেলে এবং সমাজমাধ্যমে প্রচুর অভিযোগ বা আবেদন তাদের কাছে এসে পৌঁছোয়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পরীক্ষার্থীরা তাঁদের প্রাথমিক পরিচয় বা তথ্য জানাতে ভুলে যান। লক্ষ লক্ষ আবেদনকারীর ভিড়ে সঠিক প্রার্থীর আবেদন খুঁজে বার করে সাড়া দিতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয় সংস্থাটিকে। তাই অভিযোগ জানানোর সময় কয়েকটি বিষয় মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে এনটিএ।
১। পরীক্ষায় বসার আবেদন করার সময় যে ইমেল আইডি ব্যবহার করা হয়েছিল, অভিযোগের কথাও লিখে পাঠাতে হবে সেই ইমেল আইডি থেকেই।
২। ইমেলের সাবজেক্ট লাইন বা বিষয় লেখার জায়গায় অবশ্যই পরীক্ষার্থীর অ্যাপ্লিকেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
৩। কোন পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্যা, অর্থাৎ নিট ইউজি না কি জেইই মেন না সিইউইটি, সে কথাও স্পষ্ট করে লিখে দিতে হবে।
৪। সমস্যাটি সংক্ষেপে জানাতে হবে এবং সঙ্গে দরকার হলে প্রয়োজনীয় স্ক্রিনশট বা প্রাসঙ্গিক নথিও দিয়ে দিতে হবে।
৫। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য আলাদা হেল্পডেস্ক এবং আলাদা ইমেল আইডি থাকে। সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার ইনফরমেশন বুলেটিন বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সেই ইমেল ঠিকানা নিয়ে তার পরে সেখানেই পাঠাতে হবে ইমেল।