নিট ইউজি-র প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল দেশ। তার মাস খানেক পরে রবিবার ছিল নিট পিজি-র পরীক্ষা। সেই পরীক্ষা চলাকালীন আচমকাই জানা যায়, নিট পিজি-রও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে!
দেশ জুড়ে তখন কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থী চিকিৎসাবিদ্যার স্নাতকোত্তর স্তরের ভর্তির ওই প্রবেশিকা পরীক্ষা দিচ্ছেন। স্বাভাবিক ভাবেই খবরটি ছড়ানোর পরে উদ্বেগ ছড়ায়। প্রশ্ন উঠতে শুরু করে তবে কি নিট পিজি-ও আবার দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। অবশেষে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র তরফে জানানো হয়, ‘‘নিট পিজি-র প্রশ্নফাঁস হয়নি। পুরোটাই মিথ্যা রটনা।’’ কিন্তু হঠাৎ এমন খবর রটলই বা কেন?
এই পোস্টেই ‘উড়ো’ খবর খারিজ করে সত্যি কী ঘটেছিল, তা জানিয়েছে পিআইবি। ছবি: এক্স (সাবেক টুইটার)
ঘটনার সূত্রপাত জয়পুরে। সেখানকার কিছু পরীক্ষাকেন্দ্রে আচমকাই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। এর পরেই সমাজমাধ্যমে খবর ছড়ায়— জয়পুরে নিট পিজি-র প্রশ্নফাঁস হয়েছে বলে। সেই দাবি খারিজ করে এক্স সাবেক (টুইটার)-এ একটি পোস্ট করেছে কেন্দ্রীয় প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো। পিআইবি জানিয়েছে, ‘‘প্রযুক্তিগত গোলযোগের কারণে রাজস্থানের জয়পুরের আয়ন ডিজিটাল জ়োন আইডিজ়েড সীতাপুরার পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। যাঁরা ওই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, তাঁদের পুনঃপরীক্ষা নেওয়া হবে ৫ সেপ্টেম্বর।’’
ঠিক কত জন পরীক্ষার্থী এতে সমস্যায় পড়েছেন, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাবও দিয়েছে পিআইবি। তারা জানিয়েছে, রবিবার সব মিলিয়ে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল নিট পিজি। দেশের ৩৩৯টি শহরের ১,১১১টি কেন্দ্রে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। সব মিলিয়ে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। এর মধ্যে ২৪৪৫ জনের পরীক্ষা ব্যাহত হয় জয়পুরের প্রযুক্তিগত গোলযোগ এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে। যাঁদের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে।