Advertisement
E-Paper

স্বাস্থ্য পরিষেবায় বাড়ছে নার্সিংয়ের চাহিদা, কী কী কোর্স রয়েছে, পড়ার সুযোগ মিলবে কী ভাবে,রইল খুঁটিনাটি

নার্সিং পেশায় নিযুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হওয়ার। কী কী কোর্স রয়েছে এবং কী প্রবেশিকা দিতে হয়, তা জেনে নেওয়া যাক।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ অগস্ট ২০২৬ ০৯:০৫

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

স্বাস্থ্য পরিষেবার মূল চালিকাশক্তি হিসাবে চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সদের ভূমিকা অনন্য। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ হেলথ সার্ভিসেস-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের স্বাস্থ্য খাতে নিয়োজিত কর্মীদের একাংশই এই পেশার সঙ্গে যুক্ত। এই পেশায় নিযুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হওয়ার। কী কী কোর্স রয়েছে এবং কী প্রবেশিকা দিতে হয়, তা জেনে নেওয়া যাক।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নার্সিং কাউন্সিল স্বীকৃত প্রধান কোর্সগুলি কী কী?

১। এএনএম (অক্সিলিয়ারি নার্সিং মিডওয়াইফারি): এটি দু’বছরের ডিপ্লোমা কোর্স।

২। জিএনএম (জেনারেল নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি): এটি তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স।

৩। বিএসসি নার্সিং (বেসিক): এটি চার বছরের ডিগ্রি কোর্স।

৪। পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং: এটি দু’বছরের ডিগ্রি কোর্স (জিএনএম শেষ করার পর)।

৫। এমএসসি নার্সিং: এটি দু’বছরের স্নাতকোত্তর কোর্স। এতে মেডিকেল সার্জিক্যাল, চাইল্ড হেলথ, কমিউনিটি হেলথ, মেন্টাল হেলথের মতো বিশেষ শাখা রয়েছে।

৬। পোস্ট বেসিক ডিপ্লোমা: এক থেকে দেড় বছরের ডিপ্লোমা (যেমন ক্রিটিক্যাল কেয়ার, কার্ডিয়োথোরাসিক, সাইকিয়াট্রিক নার্সিং ইত্যাদি)।

প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা

এনএম: উচ্চমাধ্যমিক (১০+২) বা সমতুল্য পরীক্ষায় যে কোনও শাখায় (কলা, বিজ্ঞান বা বাণিজ্য) ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়। বয়স হতে হয় ১৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

জিএনএম: যে কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে ইংরেজি-সহ দ্বাদশ পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হলেও অন্য শাখার পড়ুয়ারাও আবেদন করতে পারেন। বয়স ১৭ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক।

বিএসসি নার্সিং: উচ্চমাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান এবং ইংরেজি বিষয়ে অন্তত ৪৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পাস করতে হয়। আবেদনকারীর বয়স ভর্তির বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১৭ বছর হওয়া আবশ্যক।

পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং: প্রার্থীকে দ্বাদশ পাশের পাশাপাশি জিএনএম সম্পন্ন করতে হবে এবং যে কোনও রাজ্য নার্সিং কাউন্সিলে নাম রেজিস্টার থাকতে হবে।

এমএসসি নার্সিং: বিএসসি নার্সিং বা পোস্ট বেসিক বিএসসি নার্সিং-এ অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। পাশাপাশি ন্যূনতম এক বছরের কাজের বা ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক।

ভর্তি ও সুযোগ মিলবে কী ভাবে?

রাজ্যস্তরে—

এএনএম ও জিএনএম: পশ্চিমবঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্‌জ়ামিনেশন বোর্ড (ডব্লিউবিজেইইবি) দ্বারা আয়োজিত ডব্লিউবি এএনএম অ্যান্ড জিএনএম এন্ট্রান্স এগ্‌জ়ামিনেশন দিতে হয়।

বিএসসি নার্সিং: বিএসসি নার্সিংয়ে ভর্তির জন্য প্রার্থীকে ডব্লিউবিজেইইবি পরিচালিত জেনপাস-ইউজি প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হতে হয়।

পোস্ট বেসিক বিএসসি-র জন্য জেইপিবিএন এবং মাস্টার অফ সায়েন্স ডিগ্রির জন্য জেইএমএসসিএন-এর মাধ্যমে রাজ্যভিত্তিক প্রবেশিকা নেওয়া হয়।

সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে—

এমস এবং কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান: এমস এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসসি ও এমএসসি নার্সিং কোর্সে ভর্তির জন্য প্রতি বছর অল ইন্ডিয়া ভিত্তিক প্রবেশিকা পরীক্ষা আয়োজিত হয়।

তবে, কিছু জাতীয় স্তরের সংস্থায় সরাসরি নিট ইউজি স্কোরের ভিত্তিতেও বিএসসি নার্সিংয়ে ভর্তি নেওয়া হয়। উপযুক্ত যোগ্যতা অর্জন ও প্রবেশিকা পরীক্ষার মেধা তালিকার ভিত্তিতে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ বা স্বীকৃত বেসরকারি কলেজে আসন বরাদ্দ করা হয়।

Nurse Nursing Career

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy