নিট-এর প্রশ্নফাঁস নিয়ে ‘আন্দোলনে’-এ নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। এ বার সেই পরীক্ষার আয়োজক সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-কে পুরোপুরি ভেঙে দেওয়ার দাবি তুলল স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডয়া (এসএফআই)।
মঙ্গলবার বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ফাঁসির তারিখে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নর্থ ক্যাম্পাসে একটি সভার আয়োজন করেছিল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে দিল্লির অম্বেডকর বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া মিলিয়া-সহ দিল্লির বিভিন্ন স্কুল কলেজের পড়ুয়ারা যোগ দিয়েছিলেন সই সভায়। সেখানেই এসএফআই তাদের বিবৃতিতে কিছু দাবি পেশ করে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল এনটিএ-র বর্তমান যে পরিকাঠামো, তা সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে দেওয়ার।
নিট (ইউজি) ছাড়াও জেইই মেন, ইউজিসি নেট, সিইউইটি, এনসিইটির মতো পরীক্ষার আয়োজনের ভার রয়েছে এনটিএ-র উপরে। আর সেই সংস্থার অধীনেই নিট (ইউজি)-এর প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে দু’বার, প্রশ্ন উঠেছে ওই সংস্থার পরিচালন পদ্ধতি নিয়েও।
যে কারণে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ওই সংস্থার ভাবমূর্তি বদলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এসএফআই জানিয়েছে, তারা সংস্কারে নয়, পুরনো ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে দে ওয়ার পক্ষে। এ ছাড়া জাতীয় শিক্ষানীতির বিরোধিতা করেছে তারা। এসএফআই নিজের বিবৃতিতে বলেছে, চার বছরের স্নাতক পাঠ্যক্রম চালু করার পরে পরীক্ষায় ফেলের হার বেড়েছে। এর পাশাপাশি এসএফআইয়ের দাবিতে উঠে এসেছে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার ফি কমানো, বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল প্রত্যাহার, ছাত্রছাত্রীদের জন্য মেট্রো টিকিটে ছাড়-এর মতো প্রস্তাবও।
মঙ্গলবারের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের বাম সাংসদ অমরা রাম। পড়ুয়াদের দাবিতে নিজের সমর্থন জানিয়ে লোকসভা সাংসদ বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ডার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই কতটা প্রভাবশালী হতে পারে, তা দেখিয়ে দিয়েছে এদেশের ছাত্রছাত্রী, কৃষকেরা।’’ তাঁর আশা, ভবিষ্যতে বিরোধী হিসাবে কোনও রাজনৈতিক দলকে নয়, দেশের তরুণ প্রজন্মকেই জবাব দিতে হবে সরকারকে।