ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (এনএমসি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর চিকিৎসা পাঠক্রমে ভর্তির জন্য আসনতালিকা প্রকাশ করেছে। এনএমসি হল ভারতে চিকিৎসাশিক্ষা, ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার মান নিয়ন্ত্রণকারী সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা।
নতুন তালিকা অনুযায়ী, এমডি, এমএস এবং ডিপ্লোমা মিলিয়ে মোট আসনসংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫৮ হাজার হয়েছে। গত শিক্ষাবর্ষে এই সংখ্যা ছিল ৫২,১৭৩। অর্থাৎ এক বছরে আসন বেড়েছে প্রায় ১১ শতাংশ। বেসরকারি এবং ডিম্ড বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আসন বৃদ্ধির হার প্রায় ৩২ শতাংশ, যেখানে সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে আসন বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ।
এ ছাড়া, অ্যানাস্থেশিয়া, চক্ষুবিদ্যা, ইএনটি, প্যাথোলজি, মনোরোগবিদ্যা এবং রেসপিরেটরি মেডিসিন-সহ একাধিক শাখাতেও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে আসন বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে এনএমসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, প্রয়োজনে আপিল কমিটি বা অন্য কোনও উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই আসনতালিকায় পরিবর্তন করা হতে পারে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ইতিমধ্যে চালু থাকা স্নাতকোত্তর কোর্সে আসন বাড়ানো অথবা নতুন পিজি কোর্স চালুর জন্য পাওয়া আবেদনগুলির আসন এখনও বর্তমান তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তী কালে এই ধরনের কোনও আসন বা নতুন কোর্স অনুমোদিত হলে তা সংশোধিত আসনতালিকায় যুক্ত করা হবে এবং তা এনএমসি-র নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
দেশের সমস্ত মেডিক্যাল কলেজকে অনুমোদিত আসনসংখ্যার মধ্যেই ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এনএমসি-র বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, কাউন্সেলিংয়ের দায়িত্বে থাকা কোনও কমিটি সর্বশেষ প্রকাশিত আসনতালিকায় অসঙ্গতি বা অনুমোদিত সংখ্যার সঙ্গে কোনও পার্থক্য দেখতে পেলে বিষয়টি দ্রুত মেডিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড রেটিং বোর্ড-এর কাছে পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্ট মেডিক্যাল কলেজ, প্রতিষ্ঠান এবং কাউন্সেলিং কমিটিগুলিকে অনুমোদিত আসন তালিকা কঠোর ভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।