Advertisement
E-Paper

নিট-বিক্ষোভের আবহে আরও এক প্রশ্নফাঁস! উত্তরাখণ্ডের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাতিল করল দু’টি পত্রের পরীক্ষা

এ বার উত্তরাখণ্ডের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমেস্টারের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, দেহরাদূনের বীর মাধো সিংহ ভান্ডারী উত্তরাখণ্ড টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা চলছিল। এরই মধ্যে দু’টি পত্রের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ ওঠে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ জুলাই ২০২৬ ১৯:৫০
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দেশ জুড়ে চলছে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ। নিট ইউজি প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সংগঠিত হচ্ছে আন্দোলন। দাবি উঠছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের। এরই মধ্যে ফের উঠল প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ। বাতিলও হল দু’টি পরীক্ষা।

এ বার উত্তরাখণ্ডের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমেস্টারের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রের খবর, দেহরাদূনের বীর মাধো সিংহ ভান্ডারী উত্তরাখণ্ড টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা চলছিল। এরই মধ্যে দু’টি পত্রের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষা নিয়ামক ভিকে পটেল জানিয়েছেন, ‘মেশিন লার্নিং ফর ইন্টারনেট অফ থিংস’ বিষয়ের প্রশ্ন নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তার পরই নড়ে বসেন কর্তৃপক্ষ।

সূত্রের খবর, অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করেন কর্তৃপক্ষ। তদন্তে দেখা যায়, বাইরে থেকে যে অধ্যাপক প্রশ্ন করেছিলেন তিনিই হুবহু একই প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দিয়েছেন পড়ুয়াদের মধ্যে। শুধু তা-ই নয়, ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড থিয়োরি’ বিষয়ের প্রশ্নও ফাঁস হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। তার পরই দু’টি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় মোট ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ।বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, “দু’টি বিষয়ের বাতিল হওয়া পরীক্ষা ২০২৬ সালের অগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ফের নেওয়া হবে। সকল প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা অবহিত করে, যাতে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে।”

সূত্রের খবর, গত ৮ জুলাই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এক প্রশ্নকর্তা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রায় ৫০টি প্রশ্ন পাঠিয়েছিলেন। পরীক্ষার সময় দেখা যায়, হুবহু একই প্রশ্ন এসেছে। ওই প্রশ্নকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ১০ জুলাই তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করে এবং ১৩ জুলাই রিপোর্ট জমা দেয়। তার ভিত্তিতেই ওই প্রশ্নকর্তা অধ্যাপককে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সাত বছর তিনি পরীক্ষা সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না।

কমিশনের একটি পরীক্ষায়ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। সে সময় রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়। তার আগে ২০২৩-এ ইউকেপিএসসি পটোয়ারি এবং অ্যাকাউন্ট্যান্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। সে পরীক্ষা বাতিল করতে হয়েছিল। তার পরই বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার এ ধরনের অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইন প্রণয়ন করে।

Question Paper Leak Paper Leak

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy