Advertisement
E-Paper

উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থী কমছে কেন, সেমেস্টার ও স্কুলছুট নিয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস সংসদ সভাপতির

মাধ্যমিক পরীক্ষায় যেখানে ন’লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী থাকে, সেখানে উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম। কেন এই পার্থক্য তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:০১
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

মাধ্যমিকের তুলনায় উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি, উচ্চ মাধ্যমিকে সেমেস্টার ব্যবস্থা চালুর অভিজ্ঞতা এবং এই পদ্ধতিতে কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না, তা জানতে স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে। মঙ্গলবার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি অসিতকুমার মণ্ডল এ বিষয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।

সংসদ সভাপতির কথা অনুযায়ী, মাধ্যমিক পরীক্ষায় যেখানে ন’লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী থাকে, সেখানে উচ্চ মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম। কেন এই পার্থক্য তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। মাধ্যমিকের পর কত জন পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি হচ্ছে না, তার পিছনে কী কী কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা বা স্কুলছুটের সমস্যাও এই প্রসঙ্গে বিবেচনায় আসতে পারে বলে মত তাঁর।

অন্য দিকে, উচ্চ মাধ্যমিকে সেমেস্টার ব্যবস্থা চালুর পর তার সুবিধা ও অসুবিধা, দু’টি দিকই পর্যালোচনা করতে চায় সংসদ। নতুন পদ্ধতিতে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা জানতে স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করা হবে বলেও জানানো হয়।

উচ্চ মাধ্যমিকে সেমেস্টার ব্যবস্থা চালুর ফলে পড়াশোনার ধরন, পাঠ্যক্রম শেষ করার সময় এবং পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কী প্রভাব পড়ছে, তা বোঝার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান সভাপতি। স্কুলগুলির বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নতুন পদ্ধতির কার্যকারিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান এবং সেমেস্টার ব্যবস্থার পর্যালোচনা—দু’টি বিষয়ই আগামী দিনে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে স্কুলছুটের পরিসংখ্যান, পরীক্ষার্থী কমার নির্দিষ্ট কারণ এবং সেমেস্টার ব্যবস্থায় সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২৭ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা আনসার কি দেখে আপত্তি জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। ফল প্রকাশিত হতে পারে নভেম্বরের শেষে বা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।

চলতি বছর তৃতীয় সেমেস্টার শুরু হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর থেকে, শেষ হল ১৪ অক্টোবর। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭,১৮,৪৬৭। যার মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৩,১৫,৬৬১ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৪,০২,৮০৬। মোট ৮২৫টি সেন্টার ছিল এবং ভেন্যু ছিল ২১০৫টি। এবারে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫,৯৩৮ অর্থাৎ ২.২২ শতাংশ। গত বছর তৃতীয় সেমেস্টারে অনুপস্থিত পড়ুয়া ছিল ২.১৮ শতাংশ।

High Secondary

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy