কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, ডেটা অ্যানালিটিক্স, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সাইবার সিকিউরিটি—বর্তমানে ভারতে এই প্রযুক্তিগত দক্ষতাগুলির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, কমিউনিকেশন, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার যোগ্যতাও কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ইন্ডিয়া স্কিলস রিপোর্ট ২০২৬’-এ এমনই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৫ সালে ভারতে কর্মক্ষমতার হার ছিল ৫৪.৮১ শতাংশ। ২০২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৫৬.৩৫ শতাংশ। কর্মক্ষেত্রের পরিবর্তিত চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে গিগ ওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সিং, এআই-সহায়ক কাজ, দূর থেকে কাজ করার সুযোগ এবং নতুন উদ্যোগ গড়ে তোলার মতো বিষয়গুলির উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে রিপোর্টে।
চাহিদার তালিকায় কোন ৮টি দক্ষতা?
১। এআই ও মেশিন লার্নিং।
২। সাইবার সিকিউরিটি।
৩। ক্লাউড কম্পিউটিং।
৪। সফ্টওয়্যার ডেভেলপমেন্ট।
৫। ডেটা অ্যানালিটিক্স।
৬। ফিনটেক ও ব্লকচেইন।
৭। সাসটেনেবিলিটি অ্যান্ড ইএসজি।
৮। স্বাস্থ্য পরিষেবায় তথ্যপ্রযুক্তি।
আরও পড়ুন:
ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ এবং ব্যাঙ্কিং ও আর্থিক পরিষেবা ক্ষেত্রের ৫০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় এআই ব্যবহার করতে শুরু করেছে। অর্থাৎ, শুধু প্রযুক্তিগত কাজেই নয়, কর্মী বাছাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। পাশাপাশি, এআই, ডেটা এবং সাইবার সিকিউরিটির মতো ক্ষেত্রে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মী জোগানের ঘাটতি রয়েছে বলে রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতে এআই পেশাদারের সংখ্যা ১২.৫ লক্ষে পৌঁছতে পারে।