জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ়’-র তৃতীয় ভাগকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই অনুরাগীদের উৎসাহ তুঙ্গে। মাঝেমধ্যে নানা জল্পনা শোনা গেলেও ছবির অগ্রগতি নিয়ে নিশ্চিত খবর মিলছিল না। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আশার ইঙ্গিত দিলেন অভিনেত্রী অ্যানি হ্যাথাওয়ে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা জানান, ছবির গল্পের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। তাঁর কথায়, চিত্রনাট্য নতুন করে সাজাতে হয়েছে। প্রথমে যে গল্প নিয়ে কাজ চলছিল, তা থেকে সরে এসে সম্পূর্ণ নতুন ভাবনায় এগোচ্ছেন নির্মাতারা। এই পরিবর্তনের ফলেই কিছুটা সময় বেশি লাগছে। তবে নির্মাতাদের বিশ্বাস, শেষপর্যন্ত এই গল্পই দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করবে।
পরিবারই এখন নায়িকার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। ছবি: সংগৃহীত।
এখনও ছবির শুটিং শুরুর দিনক্ষণ বা মুক্তির সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করা হয়নি। এর অন্যতম কারণ, বর্তমানে নিজের তৃতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন অ্যানি। তাই আপাতত পরিবারই তাঁর কাছে প্রধান। অভিনেত্রী মজার ছলে জানিয়েছেন, এখন তাঁর সবচেয়ে বড় কাজ তৃতীয় সন্তানকে পৃথিবীতে আনা। ফলে ছবির শুটিং কবে শুরু হবে, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ়’ অ্যানির অভিনয়জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। সাধারণ কিশোরী মিয়া থার্মোপলিসের রাজকন্যা হয়ে ওঠার গল্প অল্প সময়েই দর্শকের মন জয় করে নেয়। ২০০৪ সালে মুক্তি পায় ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ ২: রয়্যাল এনগেজমেন্ট’, যেখানে মিয়া শেষপর্যন্ত জেনোভিয়ার সিংহাসনে বসেন। দুটি ছবিই পরিচালনা করেছিলেন গ্যারি মার্শাল। ২০১৬ সালে মৃত্যু হয় তাঁর।
আরও পড়ুন:
এ বার তৃতীয় ছবির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন অ্যাডেল লিম। ছবির প্রযোজক ডেবরা মার্টিন চেজ়ও সম্প্রতি জানিয়েছেন, শীঘ্রই এই ছবি তৈরি করার কথা ভাবছেন। দর্শকের উৎসাহ তাঁদের আরও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে বলেও জানান।
এখনও পর্যন্ত এই ছবির জন্য অ্যানি ছাড়া অন্য কোনও অভিনেতার নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে আগের ছবিতে রানির চরিত্রে অভিনয় করা জুলি অ্যান্ড্রুজ় আগেই জানিয়েছিলেন যে, সুযোগ এলে তিনি আবার এই ফ্র্যাঞ্চাইজ়িতে ফিরতে আগ্রহী। সব মিলিয়ে, ছবি নিয়ে আশার আলো জ্বললেও ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ় ৩’ দেখতে দর্শকের অপেক্ষা যে আরও কিছুটা দীর্ঘ হবে, তা আন্দাজ করা যায়।