মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেস্তরাঁর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে সলমন খানের বোন অর্পিতা খান শর্মার রেস্তরাঁ ‘মেরসি’। রেস্তরাঁর অন্দরসজ্জার মতোই নজর কাড়ে তার মেনু। সেখানে এমন কিছু পদ রয়েছে, যার দাম নাকি আকাশছোঁয়া। ১০ হাজার টাকার মাছও নাকি রয়েছে এই রেস্তরাঁয়।
‘মেরসি’-র অন্যতম পদগুলির মধ্যে অন্যতম ‘সল্ট ক্রাস্টেড রেড স্ন্যাপার’। দাম ১০ হাজার টাকা। বিশেষ ধরনের মাছের পুর দিয়ে তৈরি হয় এই পদ। গোটা মাছটি নুনের আস্তরণ দিয়ে বেক করা হয়। তার পর ক্রেতার সামনে সেটি কেটে পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়াও মেনুতে আরও একটি নজরকাড়া পদ রয়েছে, যার নাম ‘ট্রাফল পাস্তা ফ্রম হুইল’। এটি একটি বিশেষ ধরনের পাস্তা। এর দাম ৮৫০০ টাকা। স্প্যাগেটি ট্রাফল পাস্তার সঙ্গে পেরিগর ট্রাফল সস পরিবেশন করা হয়।
সামুদ্রিক খাবারের মধ্যে ‘টেরিয়াকি স্যামন’। স্যামন মাছ দিয়ে বানানো হয় এই পদ। এর দাম ৪ হাজার টাকা। তিল দেওয়া শসার সঙ্গে সুগন্ধি হোবা পাতায় পরিবেশন করা হয় স্যামন। এ ছাড়াও রয়েছে ‘লবস্টার থার্মিডর’, যার দাম ৩৫০০ টাকা। ‘কোকো লবস্টার’ও এই রেস্তরাঁর অন্যতম আকর্ষণ। এর দাম ১৫০০ টাকা।
‘মেরসি’-র মেনুতে ইউরোপীয় রান্নার প্রভাব রয়েছে। বিভিন্ন দেশের স্বাদের সঙ্গে খাবারকে বিশেষ কৌশলের মাধ্যমে মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। প্রায় ৯ হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে মুম্বইয়ে তৈরি হয়েছে এই রেস্তরাঁ। অর্পিতা খান শর্মা এই রেস্তরাঁর অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা। এর আগে অর্পিতা জানিয়েছিলেন, ‘ফোর চিজ় পিৎজ়া’, ‘ট্রাফল পাস্তা’ এবং ‘গার্লিক প্রনস’ তাঁর পছন্দের খাবার।
শুধু খাবার নয়, ‘মেরসি’-র পানীয়ের তালিকাও বেশ চোখধাঁধানো। সেগুলির দাম লক্ষের উপর। রেস্তরাঁর সবচেয়ে দামি শ্যাম্পেনের দাম ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৫০ টাকা। সবচেয়ে দামি রেড ওয়াইনের দাম প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। এমনকি, হোয়াইট ওয়াইনের দামও প্রায় ৬৯ হাজার টাকার কাছাকাছি।