জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সব বাড়িতেই প্রায় তৈরি হয়েছে তালের বড়া, তালের ক্ষীর আর লুচি। টলিপাড়ার চেনামুখেরা কি সেই উদ্যাপনে শামিল হলেন? নাকি শুটিং করেই কাটালেন এই দিনটা? স্টুডিয়োপাড়ায় খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এমন অনেক অভিনেত্রীই রয়েছেন যাঁরা গোপালভক্ত। সেই তালিকায় রয়েছেন দিব্যাণী মণ্ডল, শিঞ্জিনী চক্রবর্তী, ঐন্দ্রিলা বসু-সহ অনেকেই।
দিব্যাণীর মুর্শিদাবাদের বাড়িতে যেমন প্রতিবছর বড় করে গোপালের পুজো হয়। গোপালকে ঘি, মধু মাখিয়ে গোলাপের পাপড়ি দেওয়া দুধে স্নান করানো হয়। তার প্রিয় ভোগ রান্না করা হয়। তবে এ বার দিব্যাণীর মনখারাপ। এই বছর সে ভাবে উদ্যাপন করতে পারছেন না এই দিনটা। কিন্তু জন্মাষ্টমীটা একেবারে ফিকে হতে দেননি অভিনেত্রী।
অভিনেত্রী দিব্যাণী হলেন কৃষ্ণভক্ত। ছবি: সংগৃহীত।
দিব্যাণী বলেন, “আমার এক আত্মীয়ের মৃত্যু হয়েছে। তাই এই বছর সে ভাবে কিছু হচ্ছে না। তাই আমি, পুরীতে এসেছি। জগন্নাথের দর্শন তো হল। ভাইজ়্যাগে শুটিং করছিলাম একটি দক্ষিণী ছবির। ওখান থেকে পুরী আসাও সহজ। তাই চলে এলাম, ভাল লেগেছে পুজো দিয়ে।”
বন্ধুর বাড়িতে ধুমধাম করে জন্মাষ্টমীর উদ্যাপন করলেন ঐন্দ্রিলা। ছবি: সংগৃহীত।
দিব্যাণীর এই বছরের জন্মাষ্টমী অন্যরকমের হলেও শিঞ্জিনী কিন্তু শুটিংয়ের ফাঁকে ছুটি পেয়েই চলে গিয়েছেন বাড়ি। কাজের সূত্রে তিনি টালিগঞ্জ এলাকায় থাকলেও, তাঁর আদি বাড়ি বালিতে। গোপালপুজো করতে এই দিন তাই নিজের বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। শিঞ্জিনী বলেন, “বৃন্দাবন থেকে এসেছে আমার গোপাল। ছোটবেলায় ছিল ছোট্ট গোপাল। এখন সে একটু বড় হয়েছে আর-কি! তালের বড়া তো হয়েছেই। নানা ধরনের ভোগ রান্না করে দিয়েছি। ভাগ্যিস, একটা ছুটি পেয়েছিলাম।”
ফুলের সাজে সেজেছে শিঞ্জিনীর গোপাল। ছবি: সংগৃহীত।
তবে ছোটপর্দার অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বসু এই দিন বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন গোপালের পুজো করতে। ঐন্দ্রিলা বলেন, “আমি ঈশ্বরে বিশ্বাস করি। আমার বাড়িতে তো মা নিত্যপুজো করেন। জন্মাষ্টমীতে আয়োজন কিছুটা বেশি। তালের বড়া ভেজেছে মা। আমি খেয়েও নিয়েছি। আর আমার বন্ধুর বাড়িতে ধুমধাম করে জন্মষ্টমীর পুজো হয়েছে। গোপালপুজোর এই আনন্দটা আমি মিস্ করতে চাই না।” জন্মাষ্টমীর দিনটা তাই নিজেদের মতো করে সাজিয়েছেন টেলিপাড়ার অভিনেত্রীরা।