হেমা মালিনীর জীবনের বিরাট অংশ জুড়ে ছিলেন ধর্মেন্দ্র। স্বামী ও বাবা, দুই ভূমিকাই সফল ভাবে পালন করেছিলেন অভিনেতা, এমনই মনে করেন হেমা। গত বছর অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকে স্বামীকে একাধিক বার স্মরণ করতে দেখা গিয়েছে হেমাকে। শুধু তা-ই নয়, স্বামীর কথা বলতে গেলেই বার বার আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর আগে তাঁকে কোন পরামর্শ দিয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা, এ বার সেটাই জানালেন হেমা। অভিনেতার চিন্তা ছিল প্রথম পক্ষের দুই ছেলে সানি ও ববিকে নিয়ে।
আরও পড়ুন:
ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পরে কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। সম্প্রতি ধর্মেন্দ্রের স্মৃতিচারণা করতে করতে খানিক আক্ষেপের সুরে হেমা জানান, তাঁদের দু’জনের একসঙ্গে সে ভাবে কখনও ঘুরতে যাওয়া হয়নি। সেই কারণেই নাকি একসঙ্গে বহু ছবিতে কাজ করেছেন, যাতে বেশি সময় একসঙ্গে কাটাতে পারেন। ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুতে একটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে তাঁর জীবনে। হেমার কথায়, ‘‘আমার বিশ্বাস হয় না যে, উনি আর নেই। এখন শুধু ওঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়ার অপেক্ষা করছি।’’ অভিনেতা জীবিত থাকাকালীন তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌরের দুই ছেলে সানি ও ববি দেওলের সঙ্গে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমার রসায়নের প্রসঙ্গ বার বার উঠতে আসত আলোচনায়। অভিনেতার মৃত্যুর পর দুই পরিবারকে নিয়ে আলোচনা অব্যাহত। এমন জল্পনাও শোনা গিয়েছিল যে, ধর্মেন্দ্রের মৃত্যুর পরে দুই পরিবারের মধ্যে হয়তো দূরত্ব আরও বেড়েছে। এই প্রসঙ্গে হেমা জানান, তাঁর স্বামী পরিবারকে একসঙ্গে বেঁধে রাখার পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন সবসময়।
হেমার কথায়, ‘‘ধর্মজি সবসময় বলতেন, যতটা সম্ভব সন্তানদের সঙ্গে থাকো। বেশি করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাও। তিনি সবসময় বলতেন, পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে থাকো, যা আজকের দিনে খুব জরুরি। কিন্তু এখন আর তেমনটা হয় না। আজকাল ছেলেমেয়েরা যার যার পথে চলে যায়। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলতেন, পরিবার সবার আগে।’’ পাশাপাশি হেমা এটাও স্পষ্ট করে দেন যে, তাঁদের দুই পরিবারের মধ্যেও কোনও বিভাজন নেই। তাঁরা একসঙ্গে আছেন। মানুষ হিসাবে সানি ও ববিও খুব ভাল।