Advertisement
E-Paper

হুবহু যেন সতীশ কৌশিক! প্রয়াত বন্ধুর সঙ্গে মুখের মিল প্রতিযোগীর, স্মৃতির পাতায় ডুব দিলেন অনিল

২০২৩ সালের ৯ মার্চ, ৬৬ বছর বয়সে প্রয়াত হন সতীশ কৌশিক। তাঁর মৃত্যুর পরে একাধিক বার চোখের জলে ভাসতে দেখা গিয়েছে অনিল কপূরকে। ফের বন্ধুর স্মৃতি রোমন্থন করলেন অভিনেতা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:০০
সতীশের স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ অনিল।

সতীশের স্মৃতিতে আবেগপ্রবণ অনিল। ছবি: সংগৃহীত।

প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে মুখের মিল। নজরে পড়তেই ঝলকে ভিড় করে এল স্মৃতির মুহূর্তরা। প্রয়াত অভিনেতা-পরিচালক সতীশ কৌশিকের কথা মনে পড়ে গেল অনিল কপূরের। ‘ইন্ডিয়া কে টপ ১% – দ্য অনিল কপূর শো’-এর মঞ্চে এক প্রতিযোগীর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেতা। ওই প্রতিযোগীর সঙ্গে সতীশের মুখ ও চেহারার বেশ মিল রয়েছে। আর সেই সূত্রেই উঠে আসে দুই বন্ধুর সম্পর্ক, একসঙ্গে কাটানো নানা মুহূর্ত এবং একসঙ্গে কাজ করতে চাওয়ার প্রসঙ্গও।

গগন নামে ওই প্রতিযোগীর চেহারার সঙ্গে সতীশের অদ্ভুত মিল দেখে নজর পড়ে অনিলের। গগনও জানান, অনেকেই তাঁকে সতীশের মতো দেখতে বলে থাকেন। তবে অনিলের কাছে বিষয়টি শুধুমাত্র চেহারার মিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং এই সাক্ষাৎ তাঁকে মনে করিয়ে দেয় এমন এক মানুষকে, যিনি তাঁর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন। বন্ধুত্বের প্রসঙ্গে অনিল বলেন, “ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা কেমন ছিল, তা আমি ভাষায় বোঝাতে পারব না। এই শুটিং যদি ৭০ মিনিটেরও হত, তা হলেও ওকে নিয়ে গল্প বলে শেষ করা যেত না। ও আমার অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু ছিল। শুধু তা-ই নয়, ওর প্রতিভা আর রসবোধ ছিল অতুলনীয়।”

গগনকে (বাঁ দিকে) দেখে আবেগপ্রবণ অনিল কপূর।

গগনকে (বাঁ দিকে) দেখে আবেগপ্রবণ অনিল কপূর। ছবি: সংগৃহীত।

বন্ধুত্বের একটি মজার দিকও ভাগ করে নেন অনিল। সতীশকে তিনি ‘ড্যানি ডিভিটো’ বলে ডাকতেন। কারণ, দু’জনেই ‘টুইন্‌স’ ছবিটি খুব পছন্দ করতেন। এমনকি, পর্দায় যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করার কথাও ভেবেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। সতীশ যে অনিলকে কতটা ভাল করে চিনতেন, সে কথাও স্মরণ করেন অভিনেতা। অনিলের রাগ থেকে আনন্দ— সবকিছুই বুঝতে পারতেন তাঁর বন্ধু। অনিল বলেন, “আমার যমজ ভাই যদি কেউ হতে পারে, তা হলে সেটা শুধুমাত্র সতীশ। কারণ ও আমার সম্পর্কে সব জানত— আমার রাগ, আমার আনন্দ, সবকিছু।”

এর পর অবশ্য কথোপকথনের আবহ কিছুটা হালকা হয়ে ওঠে। অনিল ও গগন একসঙ্গে বলে ওঠেন সতীশের জনপ্রিয় সংলাপ, “মেরা নাম হ্যায় ক্যালেন্ডার, ম্যায় চলা কিচেন কে অন্দর!” ১৯৮৭ সালের ছবি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’র এই সংলাপটি দর্শকের কাছে আজও পরিচিত। ছবিতে ক্যালেন্ডার নামে রাঁধুনির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সতীশ। মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন অনিল।

২০২৩ সালের ৯ মার্চ, ৬৬ বছর বয়সে প্রয়াত হন সতীশ। তাঁর মৃত্যুর পরেও বন্ধুর স্মৃতিতে যে আবেগ অটুট রয়েছে, অনিলের কথাতেই তা স্পষ্ট।

Anil Kapoor Satish Kaushik

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy