সপ্তাহের শুরুতে রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবির সঙ্গে দেখা করতে গেলেন গৌতম ঘোষ, পাওলি দাম, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার-সহ আরও অনেকে। শোনা গিয়েছিল, রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই লোক ভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন শিল্পীরা। কী কথা হল?
শিল্পজগতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টেরা উপস্থিত হয়েছিলেন লোক ভবনে। প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী, প্রকাশক, উদ্যোগপতিদের অনেকেই গিয়েছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে। এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শুধুই আলাপ-পরিচিতির? কোনও রাজনৈতিক আলোচনা কি হয়েছে?
প্রযোজক নীলাঞ্জনা শর্মা জানিয়েছেন, তেমন কোনও প্রস্তাব নিয়ে যাননি তাঁরা। শিল্পজগতের সকলের সঙ্গে দেখা করার জন্যই এই আয়োজন করা হয়েছিল।
লোক ভবনে সৃজিত, নীলাঞ্জনা, রূপা। ছবি: সংগৃহীত।
‘প্রভা খৈতান ফাউন্ডেশন’-এর তরফে আয়োজন করা হয়েছিল এই সাক্ষাতের। শিল্পী তেজেন্দ্রনারায়ণ বলেছেন, “কোনও প্রস্তাবের বিষয় ছিল না। বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষেরা এসেছিলেন। ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। শিল্পজগতের সঙ্গে যুক্ত সকলের সঙ্গে আলাপ করলেন রাজ্যপাল।”
মঙ্গলবারের সকালটা লোক ভবনে কাটিয়ে খুশি পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী। তিনি বলেছেন, “এমন সাক্ষাতে মনটা ভাল হয়ে গিয়েছে। সচরাচর তো আলাপ-পরিচয়ের জন্য এমন সাক্ষাৎ হয় না, যেখানে সকলে উপস্থিত থাকে। খুবই ভাল একটা অনুভূতি।” তবে এই সাক্ষাতে রাজনৈতিক আলোচনা বা ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের বিষয় নিয়ে তেমন কোনও আলোচনা হয়নি। এ দিন উপস্থিত হয়েছিলেন বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, তবে শুধুমাত্র এক জন শিল্পী হিসাবে।
সৌজন্য সাক্ষাতে হাজির ছিলেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন ‘‘দারুণ একটা সকাল কাটালাম। এই আমন্ত্রণ পেয়ে খুবই সম্মানিত আমি। আগামী দিনে আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে ব্যক্তিগত ভাবে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল।’’
ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
অভিনেত্রী পাওলি দামও একই কথা জানিয়েছেন। রাজ্যপালের কাছে শিল্প একটা বড় জায়গা জুড়ে আছে। অভিনেত্রী বলেন, “রাজ্যপালের বক্তব্য শুনে বুঝেছি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে। ঘরোয়া অনুষ্ঠান ছিল।” লোক ভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাতে শিল্পীরা খুবই তৃপ্ত।