প্রেক্ষাগৃহে চলছে ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস্’। এ বার ছবিটি ভারতে ইংরেজি ভাষায় মুক্তি পেতে চলেছে। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে যশ অভিনীত ছবির ইংরেজি সংস্করণ দেখা যাবে। কিন্তু ইংরেজি সংস্করণ থেকে নাকি বেশ কয়েকটি দৃশ্য বাদ পড়ছে, যার ফলে ছবিটি ১৭ মিনিট ছোট হয়ে যাবে।
বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে চলা ‘টক্সিক’-এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ ঘণ্টা ১৪ মিনিট। হিন্দি-সহ ভারতের বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক ভাষায় এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। কিন্তু যে নতুন ইংরেজি সংস্করণটি মুক্তি পাচ্ছে, তার দৈর্ঘ্য প্রায় ২ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট। অর্থাৎ, মূল ছবির তুলনায় এই সংস্করণটি প্রায় ১৭ মিনিট ছোট।
নতুন ইংরেজি সংস্করণে ঠিক কোন কোন দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে জানা যাচ্ছে, কিয়ারা আডবাণী ও যশের ‘তবাহী’ গানটি বাদ পড়েছে।
আরও পড়ুন:
ছবিতে যশ ও কিয়ারা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরৈশী এবং রুক্মিণী বসন্ত। হিংসা এবং ঈর্ষায় ভরা জগতে প্রেম এবং মুক্তির মূল্য কতটা, সেটিই ছবির অন্যতম বিষয়। ছবিতে রয়েছে হিংসাত্মক বেশ কিছু দৃশ্য। কিয়ারা, তারা ও রুক্মিণীর সঙ্গে যশের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়েও ইতিমধ্যেই আলোচনা তুঙ্গে। ছবিটি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে। অভিযোগ ছবিটি নাকি অহেতুক যৌনগন্ধী এবং রক্তারক্তিতে ভরা। এর মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে যশ ও পরিচালক গীতু মোহনদাসের একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিয়ো।
সেই সাক্ষাৎকারে গীতু বলেছিলেন, “আমি চিত্রনাট্যে একটা জিনিস লিখি, কিন্তু শুট করি অন্য কিছু, আবার সম্পাদনার সময়ে অন্য কিছু করি। তার পরে ছবিটা মুক্তি পেলে আমার ভাল লাগে। আমি কখনওই চিত্রনাট্য মেনে চলি না। এখনও আমার পরের ছবি নিয়ে প্রযোজকদের সঙ্গে কথা বলছি। তাঁদের আমি একটা কথাই বার বার বলেছি, আপনারা যে জিনিসটা পড়ছেন, শেষপর্যন্ত কিন্তু সেটা পাবেন না।”
অন্য দিকে, ‘টক্সিক’ নিয়ে কথা বলেছিলেন যশও। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, “আমি নিশ্চিত, দর্শক যখন প্রেক্ষাগৃহ থেকে বেরোবেন, তখন তাঁরা অবাক হয়ে যাবেন। আর বলবেন, এটা কী দেখলাম!”