Advertisement
E-Paper

‘জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন করা আমার কর্তব্য’, হঠাৎ কেন বললেন মাধবন?

এক দিকে প্রশংসা পেয়েছে ‘ধুরন্ধর’। পাশাপাশি, পেয়েছে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমাও। সেই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কথা বললেন আর মাধবন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ অগস্ট ২০২৬ ২২:০৫
দেশ নিয়ে কী মন্তব্য মাধবনের?

দেশ নিয়ে কী মন্তব্য মাধবনের? ছবি: সংগৃহীত।

আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলেছিল। মুক্তির পরই ছবিটি বছরের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবির তকমা পায়। রণবীর সিংহ অভিনীত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল, সারা অর্জুন এবং রাকেশ বেদী। এক দিকে প্রশংসা পেয়েছে এই ছবি। পাশাপাশি, পেয়েছে ‘প্রোপাগান্ডা’ তকমাও। সেই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে কথা বললেন আর মাধবন।

সাক্ষাৎকারে মাধবনকে সমাজমাধ্যমে বাড়তে থাকা বিভাজনমূলক আলোচনা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। অনেকেই ‘ধুরন্ধর’-কে ‘প্রচারমূলক’ ছবি বলে দাবি করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, ছবিটি নাকি কেন্দ্রীয় সরকারের ভাবনার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে তৈরি। একই সঙ্গে এমন ছবিতে কাজ করা অভিনেতাদের সমাজমাধ্যমে অনেক সময় ‘সঙ্ঘী’ বলেও কটাক্ষ করা হয়। এই ধরনের মন্তব্য কী ভাবে সামলান অভিনেতা? মাধবন জানান, যেখান থেকে মন্তব্য করা হয়, সেই অ্যাকাউন্টগুলির নাম দেখলেই বোঝা যায় সেগুলি আসল না কি নকল অ্যাকাউন্ট।

নকল অ্যাকাউন্টগুলিকে টাকা দিয়ে নেতিবাচক প্রচার করানো হয়। মাধবন বলেন, “আমার মনে হয়, প্রত্যেক মানুষের উপরই তার পরিবেশ ও শিক্ষার প্রভাব থাকে। ছোটবেলা থেকেই আমাকে শেখানো হয়েছে, আমার দেশই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জন্য আমরা কী করছি, সেটাই আসল।”

এর পর মাধবন বলেন, তিনি ইচ্ছে করেই প্রকাশ্যে রাজনৈতিক মন্তব্য এড়িয়ে চলেন। তাঁর দাবি, কোনও রাজনৈতিক দল, রাজনীতিক বা নেতার বিরুদ্ধে তিনি কখনও সাক্ষাৎকারে বা সমাজমাধ্যমে কিছু বলেননি। তিনি বলেন, “কেউ ভাল কাজ করলে আমি সঙ্গে সঙ্গে তার প্রশংসা করি। যেমন স্ট্যালিন স্যার। আমি ঠিক করেছি, ভাল বিষয় নিয়েই কথা বলব। কোনও বিষয়ে সন্দেহ থাকলে সে নিয়ে মন্তব্য করব না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত কেউ যখন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন তাঁকে সমর্থন করা আমার কর্তব্য বলে মনে করি।”

মাধবন আরও জানান, কোনও রাজনৈতিক দল কখনও তাঁকে দলে যোগ দেওয়ার বা তাদের হয়ে প্রচার করার প্রস্তাব দেয়নি। তা রাজ্য স্তরেই হোক বা জাতীয় স্তরে। সমাজমাধ্যমে যে সমালোচনা হয়, তা তিনি মানুষের হতাশার বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে করেন। সেই সব মন্তব্য তাঁর সিদ্ধান্তে কোনও প্রভাব ফেলে না।

R Madhavan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy