ছবির পর্দায় দুই নারীর মধ্যে যতই সংঘাত থাকতেই পারে। তবে তার প্রভাব যে সব সময়ে বাস্তবে শুটিং-সেটেও পড়ে, এমনটা মনে করেন না রাধিকা আপ্টে। মহিলা মানেই, তাঁরা নিজেদের মধ্যে কেবল বিবাদ ও রেষারেষি করবেন, এই ধারণা একেবারেই সেকেলে বলে মনে করেন অভিনেত্রী। উল্টে তিনি জানান, পুরুষদের মধ্যেই নিরাপত্তাহীনতা বেশি দেখেছেন।
রাধিকার মতে, সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভাল হওয়া বা না হওয়ার বিষয়টি নারী-পুরুষ বা লিঙ্গের উপর নির্ভর করে না। বরং ব্যক্তিবিশেষের মানসিকতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়াই সেখানে গুরুত্বপূর্ণ। এক সাক্ষাৎকারে রাধিকাকে তাঁর আসন্ন সিরিজ় ‘আক্কা’ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সিরিজ়ে দুই শক্তিশালী নারী চরিত্রের মধ্যে যে টানাপড়েন দেখা যাবে, তার কোনও প্রভাব কি শুটিংয়ের নেপথ্যেও পড়েছিল? একাধিক অভিনেত্রী একসঙ্গে কাজ করলে তাঁদের মধ্যে বিবাদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, এমন দীর্ঘকাল লালিত ধারণা নিয়েও প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। উত্তরে রাধিকা বলেন, “মহিলাদের মধ্যে সংঘাত হয়, এই ধারণা অত্যন্ত পুরনো, সেকেলে। ইদানীং আমাকে এই প্রশ্ন শুনতে হয় না। আসলে বিষয়টিই তো সত্যি নয়।”
আরও পড়ুন:
এর পরেই অভিনেত্রী বলেন, “সত্যি বলতে, আমার মনে হয়, মহিলাদের তুলনায় পুরুষেরা অনেক বেশি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। তবে বিষয়টি নারী বা পুরুষের নয়, আসল কথা হল পারস্পরিক বোঝাপড়া। কিছু মানুষের সঙ্গে আপনার ভাল সম্পর্ক হবে, আর কিছু মানুষের সঙ্গে হবে না।”
‘আক্কা’-র শুটিংয়ের পরিবেশ নিয়েও কথা বলেন রাধিকা। তাঁর দাবি, গোটা কাজের পরিসর ছিল বেশ সুন্দর। অভিনেত্রীর কথায়, “আমাদের শুটিংয়ের পরিবেশ খুব ভাল ছিল। সেটে পুরুষ ও মহিলার সংখ্যা প্রায় সমান ছিল।”
আরও পড়ুন:
সহকর্মীদের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক থাকার অর্থ যে সকলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব তৈরি হওয়া, তেমন মনে করেন না রাধিকা। তাঁর কথায়, “পুরুষ হোক বা মহিলা, প্রত্যেকের সঙ্গে যে আপনার খুব ভাল বন্ধুত্ব হবে, এমনটা নয়। তবে একে অপরের সঙ্গে সৌজন্য বজায় রেখে চলা যায়। কারও সঙ্গে বড় কোনও সমস্যা না থাকলে সাধারণত সকলেই ভাল ব্যবহার করেন।”
উল্লেখ্য, নেটফ্লিক্সে ৩০ অক্টোবর মুক্তি পেতে চলেছে ‘আক্কা’। রাধিকা ছা়ড়াও অভিনয় করেছেন কীর্তি সুরেশ।