Advertisement
E-Paper

অবিবাহিত সাহেব-সুস্মিতার এ বার শেষ অঞ্জলি! শীঘ্রই বাজবে বিয়ের সানাই? অষ্টমীর সকালে কী জানালেন

পুজোর সময়টায় পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গেই কাটাতে পছন্দ করছেন তারকাজুটি। পুজোর পরেই আবার কাজে ফিরতে হবে। তাই যতটা সময় পাওয়া যাচ্ছে প্রিয়জনদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া ও আড্ডায় মন দিচ্ছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪৫
দেবীর কাছে সুস্মিতার জন্য কী চাইলেন সাহেব!

দেবীর কাছে সুস্মিতার জন্য কী চাইলেন সাহেব! ছবি: সংগৃহীত।

দুর্গোৎসবের অন্যতম অংশ অবশ্যই পুজো-প্রেম! বিশেষ করে, অল্পবয়সিদের প্রেম খুঁজে পাওয়ার অন্যতম মোক্ষম সুযোগ হল অষ্টমীর সকালের অঞ্জলি পর্বটি। তবে প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে যাওয়ার পরেও এই অঞ্জলি পর্বের আকর্ষণ তাঁদের কাছে কম নয়। টলিপাড়ার অন্যতম আলোচিত এমনই যুগল সাহেব ভট্টাচার্য ও সুস্মিতা দে। তাঁরা অষ্টমীর সকালে একসঙ্গে অঞ্জলি দিলেন। আনন্দবাজার ডট কম-এর মুখোমুখি হয়ে জানালেন নিজেদের অনভূতিও।

সুস্মিতার পরনে ছিল টুকটুকে লাল রঙের বেনারসি। সেই সঙ্গে খোলা চুল, গলায় ভারী গয়না, কপালে লাল টিপ। একেবারে বাঙালি সাবেকি সাজে ধরা দেন তিনি। অন্য দিকে সাহেবের পোশাকেও সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাদা রঙের পাঞ্জাবির উপরে লাল রঙের সুতোয় কাজ।

সুস্মিতা জানান, প্রতি বছর নিয়ম মেনে অঞ্জলি দেন। তাঁর কথায়, “অষ্টমীর অঞ্জলি বাধ্যতামূলক। এটা দিতেই হবে।” হাসতে হাসতে সাহেব বলেন, “আমি আবার কোনও বছরই দিই না। আমাকে অঞ্জলি দেওয়ানো হয়।”

পুজোর সময়টায় পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গেই কাটাতে পছন্দ করছেন তারকাজুটি। পুজোর পরেই আবার কাজে ফিরতে হবে। তাই যতটা সময় পাওয়া যাচ্ছে প্রিয়জনদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া ও আড্ডায় মন দিচ্ছেন তাঁরা। সাহেব জানান, তাঁর মা গিয়েছেন বেঙ্গালুরুতে বোনের কাছে। তাই বাবার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। বাবাকে নিয়ে মণ্ডপ দর্শনও করেছেন।

টলিপাড়ায় জল্পনা, অবিবাহিত অবস্থায় এটাই শেষ পুজো সাহেব ও সুস্মিতার। খুব শীঘ্রই নাকি বিয়ের সানাই বাজবে তাঁদের। প্রসঙ্গ শুনে হেসে ওঠেন যুগল। হাসতে হাসতেই জল্পনা অস্বীকার করেন তাঁরা। তবে সাহেব জানান, তিনি দেবী দুর্গার কাছে চলতি বছর কী চাইছেন। তাঁর একমাত্র প্রার্থনা, সুস্মিতা যেন ভাল থাকে। সুস্মিতা ভাল থাকলে তিনিও ভাল থাকবেন।

আনন্দের মাঝেও সাহেব-সুস্মিতার মনখারাপ। চোরবাগানের ঘটনার রেশ তাঁদের মনে। সাহেবের কথায়, “খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। কয়েকটি পরিবারের কাছে সারা জীবনের জন্য দুর্গাপুজোর আনন্দ শেষ হয়ে গেল।” ভিড়ের মধ্যে মানুষকে না যাওয়ার অনুরোধও করেছেন তাঁরা।

Saheb Bhattacharya Susmita Dey

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy