প্রায়শই শিরোনামে থাকে বলিউডের স্বজপোষণ বিতর্ক। কোনও তারকা পরিবারের হাত মাথার উপর আছে কি না, তারকা সন্তানরা কতটা সুযোগ পান, আর কতটা নিজের জোরে জায়গা করে নেন, এ সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। স্বজনপোষণ নিয়ে এ বার নিজের কথা খোলাখুলি বললেন সারা অলী খান। সইফ অলী খান ও অমৃতা সিংহের কন্যার দাবি, সিনেমার জগতে তাঁর সমর্থনে কোনও ‘গডফাদার’ ছিলেন না। মেয়ের জন্য প্রযোজকদের দরজায় দরজায় ঘুরে কাজ চাননি তাঁর বাবা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সারা স্পষ্ট জানান, নামী পরিবারে জন্মের কিছু সুবিধা যে তিনি পেয়েছেন, তা অস্বীকার করেন না। কিন্তু সেই পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাড়তি চাপ, প্রত্যাশা এবং প্রতি পদে তুলনার মুখে পড়ার ঝুঁকিও। অভিনেত্রীর বক্তব্য, কেউ তাঁর হয়ে কাজ জোগাড় করে দেননি, কেউ তাঁর হয়ে চুক্তির টেবিলে বসেননি। কাজ পেতে এবং কাজ ধরে রাখতে নিজের লড়াইটা নিজেকেই লড়তে হয়েছে।
সইফ ও অমৃতার বিচ্ছেদ হয় ২০০৪ সালে। এর পর থেকে সারা মূলত মায়ের কাছেই বড় হয়েছেন। তিনি আরও জানান, এই বড় হওয়াই তাঁকে স্বাবলম্বী হতে শিখিয়েছে। বাবা সইফ তাঁর জীবনের অংশ ছিলেন, প্রয়োজনে পরামর্শও দিয়েছেন।
নিজের পরিবারের কথা বলতে গিয়ে সারা মনে করিয়ে দেন, তিনি প্রয়াত নবাব মনসুর অলী খান পটৌদী ও বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের নাতনি। তাঁর মতে, ‘স্বজনপোষণ’ শব্দটি ইদানীং এত নেতিবাচক হয়ে উঠেছে যে, কোনও অভিনেতার একান্ত পরিশ্রম ও প্রতিভা অনেক সময়ে এর আড়ালে চাপা পড়ে যায়।
২৩ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে সারা অলী খানের ‘স্পাই-কমেডি’ ছবি ‘উড়তা তীর’। কর্ণ জোহর প্রযোজিত এই ছবিতে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন অভিনেত্রী।