বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করলেন কাজলের বোন অভিনেত্রী তনিশা মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, লোনাভালায় তাঁদের পুরনো বাড়িতে বিপুল অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল এসেছে। এমনকি, বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর। বিষয়টি নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তনিশা।
মঙ্গলবার সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন তনিশা। তাঁর অভিযোগ, লোনাভালায় বড় অঙ্কের বিল পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে গ্রাহকদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তনিশা লেখেন, “লোনাভালায় মহারাষ্ট্র স্টেট ইলেকট্রিসিটি বোর্ড মাফিয়ার মতো আচরণ করছে। বিপুল অঙ্কের বিল পাঠাচ্ছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে টাকা দিতে বাধ্য করছে। এটা অপরাধ। এমনকি, বিল জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পেরিয়ে না গেলেও ওরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে আসছে।”
কাজলের বোনের বড় অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত
এর পরেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সমাজমাধ্যমে ট্যাগ করে বিষয়টি জানান তনিশা। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়ে তিনি লেখেন, “দয়া করে লোনাভালায় আসুন। এখানে কোনও আইনকানুন নেই। যে যা খুশি করছে।”
লোনাভালার এই বাড়ির সঙ্গে মুখোপাধ্যায় পরিবারের দীর্ঘ দিনের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বাড়িটি তনিশার দিদিমা তথা প্রয়াত অভিনেত্রী শোভনা সমর্থের। এর আগে বাড়িটির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তনিশা জানিয়েছিলেন, তাঁর নিজের শৈশবের একটা বড় সময় এবং তাঁর মা তনুজারও শৈশব কেটেছে এই বাড়িতে। কিছু দিন আগে বাড়িটির কয়েকটি ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছিলেন তনিশা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “আমার দিদিমা শোভনা সমর্থের বাড়ি। এই বাড়ির প্রতিটি দেওয়াল, প্রতিটি কোণে একটি করে গল্প রয়েছে।”
বাড়িটি সংস্কারের প্রসঙ্গেও নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন তনিশা। তিনি বলেছিলেন, দিদিমা যেমনটা চাইতেন, সেই ভাবেই বাড়িটির সংস্কারের চেষ্টা করেছেন। বাড়িটিকে অতিরিক্ত আধুনিক করে তুলতে চাননি তিনি। এমনকি, দিদিমার হাতে লাগানো কোনও গাছও কাটতে চাননি।