‘আচ্ছা’। খুব ছোট্ট একটি শব্দ। কিন্তু বাঙালির প্রতিদিনের কথোপকথনে এর উপস্থিতি যেন অবধারিত। সম্মতিসূচক অর্থেই হোক বা কখনও বিস্ময় বা ব্যঙ্গ প্রকাশ করতেই হোক, বাঙালির ছোট্ট এই শব্দের যেন একই অঙ্গে একাধিক রূপ! এখন প্রশ্ন হল, বহু-ব্যবহৃত এই শব্দটি আসলে এল কোথা থেকে?
বিষয়টা একটু খোলসা করেই বলা যাক, ভাষাবিদদের মতে, ‘আচ্ছা’ শব্দটিকে বাঙালির একেবারে নিজস্ব এবং পৃথক একটি শব্দ ভাবলে ভুল হবে। এর শিকড় জড়িয়ে নাকি ভারতীয় উপমহাদেশের পুরনো ভাষার সঙ্গে। এর উৎপত্তি নিয়ে একাধিক মতামত থাকলেও মনে করা হয়, বাংলা অভিধানে যে ‘আচ্ছা’ শব্দ আছে, তার উৎস সংস্কৃত ‘অস্তু’ বা ‘অচ্ছ’। যার অর্থ ছিল স্বচ্ছ বা আবরণহীন। সেখান থেকে প্রাকৃত শব্দ ‘accha’ যা পরবর্তীতে বদলে দেয় শব্দের অর্থও।
কোনও কোনও ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যাও পাওয়া গিয়েছে যে ‘স্বচ্ছ’ এবং ‘পরিষ্কার’-এর মতো ধারণা থেকে এসেছে ‘ভাল’। আর সেখান থেকেই কথোপকথনে ‘ঠিক আছে’ বা সম্মতি বোঝাতে জন্ম নিয়েছে ‘আচ্ছা’ শব্দ। বাংলা অভিধানে এসে যা প্রাণ পেয়েছে নতুন করে, যার অর্থ সবটাই নির্ভর করে কী ভাবে শব্দটি বলা হচ্ছে, তার ভঙ্গির উপরে। বাংলার এমন বহু নতুন শব্দের হদিস মিলবে আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ’ খেলায়।
মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে সেরা স্কুলের খোঁজ করতে আবারও 'শব্দ-জব্দ' নিয়ে হাজির আনন্দবাজার ডট কম। আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ ২০২৬'-এর পার্টনাররাও এই সম্মান জ্ঞাপনের সঙ্গী। প্রতিযোগিতার প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘ইস্টার্ন ইনস্টিটউট ফর ইন্টিগ্রেটেড লার্নিং ইন ম্যানেজমেন্ট’। পাওয়ার্ড বাই পার্টনার ‘রিলায়েন্স ট্রেন্ডস্’, ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস, দুর্গাপুর’। ধন্যবাদ আমাদের অন্যান্য সহযোগীদেরও — ‘শব্দবাজি’ এবং ‘ডেলিফান’।