‘কোথায় যাবেন? বাড়ি কোথায়?’ উত্তর যদি আসে ‘কুমিরমারি’, তাহলে নাম শুনে অবাক হওয়াটা স্বাভাবিক। কেউ কেউ ভাববেন, জায়গাটি বোধহয় কুমিরে ভরা! আবার ‘বাঘমারা’ বা ‘হাতিমারা’ গ্রামের কথা শুনলে অনেকেরই মনে হবে, এখানে বোধহয় বসতি গড়েছে বাঘ এবং হাতিরা। আসলে বাস্তব চিত্রটি কিন্তু একেবারেই আলাদা।
আসলে পশ্চিমবঙ্গের এমন বহু গ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নামের ইতিহাস। সেই সঙ্গে লোকবিশ্বাস এবং ভাষার বিবর্তনের কারণও। সময়ের সঙ্গে গ্রামের চিত্র বদলালেও সেই গ্রাম থেকে গিয়েছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে।
যেমন ধরা যাক কুমিরমারির কথাই। এটি সুন্দরবনের একটি প্রত্যন্ত দ্বীপ-গ্রাম। নাম শুনে মনে হতেই পারে, এখানে হয় তো লেগেই থাকে কুমিরের আনাগোনা। কিন্তু, বাস্তবে এটি একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকা। যদিও এমন নামের উৎপত্তি নিয়ে নানা মতবিরোধ রয়েছে। তবে স্থানীয়দের একাংশের মতে, অতীতে আশেপাশের নদী ও খাঁড়িতে কুমিরের উপস্থিতি ছিল বলেই নাকি এমন নাম।
অন্য দিকে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের দক্ষিণ গারো পাহাড় জেলার সদর শহর ‘বাঘমারা’তে কি সত্যিই বাঘ মারা হয়েছিল? হয় তো নয়। কিন্তু স্থানীয় ইতিহাস বলছে, কোনও এক সময়ে নামের এক সাহসী লস্কর খালি হাতে বাঘ মেরেছিলেন। সেই থেকেই এই নাম। যদিও কোনও ব্যাখ্যারই কোনও লিখিত প্রমাণ নেই।
একইভাবে পুরুলিয়া জেলার ‘হাতিমারা’ গ্রামের নাম শুনে ভ্রু কুঁচকালেও বাস্তবে কিন্তু পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু এটি। এর মূল আকর্ষণ হল পারিপার্শ্বিক পরিবেশ। তা ছাড়াও এই গ্রামের মানুষদের নিপুণ হস্তশিল্পের কারণে এই হাতিমারা যেন হয়ে উঠেছে এক টুকরো ক্যানভাস। এমন বহু অজানা তথ্য এবং নামের হদিস মিলবে আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ’ খেলায়।
মগজাস্ত্রের লড়াইয়ে সেরা স্কুলের খোঁজ করতে আবারও 'শব্দ-জব্দ' নিয়ে হাজির আনন্দবাজার ডট কম। আনন্দবাজার ডট কম আয়োজিত ‘শব্দ-জব্দ ২০২৬'-এর পার্টনাররাও এই সম্মান জ্ঞাপনের সঙ্গী। প্রতিযোগিতার প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘ইস্টার্ন ইনস্টিটউট ফর ইন্টিগ্রেটেড লার্নিং ইন ম্যানেজমেন্ট’। পাওয়ার্ড বাই পার্টনার ‘রিলায়েন্স ট্রেন্ডস্’, ‘সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি’ এবং ‘এনএসএইচএম নলেজ ক্যাম্পাস, দুর্গাপুর’। ধন্যবাদ আমাদের অন্যান্য সহযোগীদেরও — ‘শব্দবাজি’ এবং ‘ডেলিফান’।