Advertisement
E-Paper

ঘন ঘন মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় ভুগছেন? ৫টি সাধারণ ভুলে স্নায়বিক সমস্যা আরও তীব্র আকারে দেখা দিতে পারে

অনেকেই না জেনে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা মাইগ্রেনের আক্রমণকে আরও ঘন ঘন বা তীব্র করে তুলতে পারে। দিল্লি নিবাসী স্নায়ুরোগ চিকিৎসক রাহুল চাওলার মতে, চিকিৎসার পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলানোও সমান জরুরি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ অগস্ট ২০২৬ ১৮:২৩
মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন?

মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন? ছবি: সংগৃহীত।

মাইগ্রেন কেবল সাধারণ মাথাব্যথা নয়। এটি স্নায়ুতন্ত্রের একপ্রকার জটিল রোগ। এর উপস‌‌‌‌র্গগুলি মূলত তীব্র মাথা ব্যথার পাশাপাশি বমি ভাব, আলো বা শব্দে অস্বস্তি, কখনও বা ঘোরে চলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়। এমনকি, রোজের কাজকর্মও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অনেকেই ওষুধ খান। কিন্তু না জেনেই এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা মাইগ্রেনের আক্রমণ আরও ঘন ঘন বা তীব্র করে তুলতে পারে। দিল্লি নিবাসী স্নায়ুরোগ চিকিৎসক রাহুল চাওলার মতে, চিকিৎসার পাশাপাশি দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলানোও সমান জরুরি। এমনই ৫টির উল্লেখ করেছেন সমাজমাধ্যমে।

কোন কোন ভুলে মাইগ্রেনের ব্যথা তীব্র হতে পারে?

১. দেরিতে ওষুধ খাওয়া: অনেকেই ভাবেন, ‘‘ব্যথা একটু বাড়ুক, তার পর ওষুধ খাব।’’ কিন্তু মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে এই অভ্যাস ঠিক নয়। চিকিৎসক যে ওষুধ দিয়েছেন, ব্যথা শুরু হওয়ার প্রথম দিকেই তা খেতে হবে। তাতেই অনেক সময়ে ব্যথার তীব্রতা কম হয়। অনেক দেরি করলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে একটানা ২-৩ দিন ব্যথা থেকে যেতে পারে।

মাইগ্রেনের আক্রমণ রুখবেন কী ভাবে?

মাইগ্রেনের আক্রমণ রুখবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত

২. ঘন ঘন ব্যথার ওষুধ খাওয়া: আবার উল্টো সমস্যাও রয়েছে। সামান্য মাথাব্যথা হলে নিজের ইচ্ছেমতো ব্যথার ওষুধ খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত ব্যথানাশক খেলে উল্টে ওষুধের কারণেই তীব্র মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। তাই মাইগ্রেন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াই নিরাপদ। নয়তো পেটের আলসার বা কিডনির অসুখের কবলেও পড়তে পারে শরীর।

৩. ঘুমকে গুরুত্ব না দেওয়া: কখনও ৬ ঘণ্টারও কম, আবার কখনও অতিরিক্ত ঘুম— দু’টিই মাইগ্রেনের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। প্রতি দিন প্রায় একই সময়ে শোয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

৪. নিজের ট্রিগারগুলি না চেনা: প্রাতরাশ না করা, শরীরে জলশূন্যতা তৈরি হওয়া, বেশি চকোলেট বা কফি খাওয়া, বিশেষ কিছু ফল খাওয়া, ঘুমের ঘাটতি তৈরি হওয়া, চড়া সুগন্ধি ব্যবহার, হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া, মানসিক চাপ বয়ে চলা অথবা আবহাওয়া বদলে যাওয়ার মতো ঘটনা থেকে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়তে পারে। চিকিৎসক বলছেন, নিজের ট্রিগারগুলি চিনে রাখতে হবে। দরকারে একটি ডায়েরিতে লিখে রাখতে হবে সব, যাতে কোনও দিন ভুল না হয়। অনেকেই ট্রিগার বা ব্যথা শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট কারণ চিনতে পারেন না বলে ঘন ঘন সমস্যায় পড়েন।

৫. মাইগ্রেনকে সাধারণ ভেবে অবহেলা করা: অন্যান্য সাধারণ মাথাব্যথার সঙ্গে তফাত রয়েছে মাইগ্রেনের। মাথাব্যথার কমানোর সাধারণ ওষুধ নয়, চিকিৎসকের দেওয়া নির্দিষ্ট ওষুধ খেতে হবে। নিজের ট্রিগারগুলি চিহ্নিত করে সে সব থেকে সম্পূর্ণ রূপে দূরে থাকতে হবে। কারণ, এটি একপ্রকার জটিল স্নায়বিক সমস্যা। ৪-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে পারে এর যন্ত্রণা। তাই কখনও এই অসুখকে অবহেলা করা উচিত নয়।

Migraine Headache

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy