সুগার ও কোলেস্টেরলের রোগী এখন ঘরে ঘরে। কেউ নিয়মিত ওষুধ খেয়ে যান, কেউ আবার পছন্দের মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন একেবারে। তার পরেও সুগার ও কোলেস্টেরল থেকে নিষ্কৃতী নেই। কখনও তা বাড়ছে, আবার কখনও কমে যাচ্ছে। রক্তে শর্করা ও খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ওষুধের পাশাপাশি ব্যায়াম করাও জরুরি। যোগাসনের এমন কিছু পদ্ধতি আছে, যা নিয়ম করে অভ্যাস করলে অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলির সক্রিয়তা বাড়বে। হরমোনের ক্ষরণেও ভারসাম্য থাকবে।
কোন কোন যোগাসন করবেন?
এক পদ সর্বাঙ্গাসন
চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। পা দু’টি জোড়া করে উপরে তুলুন। এ বার দু’হাতের তালু দিয়ে পিঠ এমন ভাবে ঠেলে ধরুন, যেন ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত এক সরলেরখায় থাকে। থুতনিটি বুকের সঙ্গে লেগে থাকবে। দৃষ্টি থাকবে পায়ের আঙুলের দিকে। এর পর একটি পা ধীরে ধীরে নামিয়ে আনুন। অন্য পা উপরেই তোলা থাকবে। এমন ভঙ্গিতে পিঠ ও কোমর সোজা রাখতে হবে। শরীরের ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করতে হবে।
আরও পড়ুন:
মণ্ডূকাসন
প্রথমে বজ্রাসনের ভঙ্গিতে বসুন। অর্থাৎ হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের উপর বসুন। ধীরে ধীরে হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গি করুন। সামনের দিকে দুই হাত ছড়িয়ে দিন। কিন্তু, হাতের তালু মাটিতে থাকবে না। দু’টি পা ছড়িয়ে দিন দু’পাশে। এমন ভাবে ছড়াতে হবে, যেন দু’টি ঊরু এবং হাঁটু মাটি স্পর্শ করে থাকে। দেখতে অনেকটা ব্যাঙের মতো লাগবে। থুতনি, বুক, পেটও মাটির সঙ্গে ঠেকে থাকবে। এই অবস্থায় ৩০ সেকেন্ড থাকতে পারলে ভাল হয়। না হলে প্রথমে ১০ সেকেন্ড থাকুন। ধীরে ধীরে সময় বৃদ্ধি করবেন।
যোগানন্দাসন
ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। শরীর টানটান থাকবে। বাঁ পা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। হাঁটু ভেঙে দাঁড়ান। একই সময়ে ডান পা পিছনে অনেকটা প্রসারিত করতে হবে। এ বার দু’হাত নমস্কারের ভঙ্গিতে মাথার উপরে তুলুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থেকে আবার পা বদলে আসনটি করুন।