Advertisement
E-Paper

সন্তানধারণে সমস্যা, বন্ধ্যাত্ব কি হানা দিচ্ছে কমবয়সেই, কোন ৩ লক্ষণে সতর্ক হতে হবে মহিলাদের?

জীবনযাত্রার পরিবর্তন, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস এবং হরমোনের নানাবিধ সমস্যার কারণে অনেক মহিলাই এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। রজোনিবৃত্তির সময় এগিয়ে আসছে, কখনও বা কম বয়সেই কমছে ডিম্বাণুর সংখ্যা। কোন কোন লক্ষণ দেখে আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ অগস্ট ২০২৬ ১৪:৫৪
Early Signs of Female Infertility You Should Never Ignore

বন্ধ্যাত্ব গ্রাস করছে না তো, মেয়েরা কোন ৩ লক্ষণে বুঝবেন? ছবি: ফ্রিপিক।

মা হওয়ার বয়স নিয়ে এখন আর কোনও নির্দিষ্ট সীমারেখা টানা যায় না। একটা সময় ছিল যখন ভাবা হত, কুড়ির কোঠাই মাতৃত্বের জন্য সেরা সময়। ধীরে ধীরে সেই পরিধি বড় হয়েছে। কেরিয়ার, চাকরি সব সামলে মা হওয়ার বয়স স্বাভাবিক ভাবেই পিছিয়েছে। চল্লিশ, এমনকি বয়স পঁয়তাল্লিশ পেরিয়েও মা হচ্ছেন অনেকে। বেশি বয়সে মাতৃত্ব এখন আর অসম্ভব কিছু নয়, তবে সকলের ক্ষেত্রেই যে তা সম্ভব হবে, তেমনটাও নয়। জীবনযাত্রার ধরন যে ভাবে বদলাচ্ছে, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসছে, তাতে কম বয়সেও গ্রাস করছে বন্ধ্যাত্ব। হরমোনের গোলমালে কমছে ডিম্বাণুর সংখ্যা। ঋতুচক্রেও বদল আসছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, সঠিক সময়ে লক্ষণ চিনে সতর্ক হতে পারলে দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সন্তানধারণেও কোনও বাধা আসবে না।

কোন কোন লক্ষণ চিনবেন মেয়েরা?

অনিয়মিত বা অস্বাভাবিক ঋতুস্রাব

ঋতুচক্র প্রতি মাসে নির্ধারিত সময়ে না হওয়া, খুব ঘন ঘন হওয়া (২১ দিনের কম বিরতিতে) অথবা মাসের পর মাস বন্ধ থাকার লক্ষণ স্বাভাবিক নয়। ঋতুস্রাব চলাকালীন পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, ভারী রক্তপাত, সঙ্গে তলপেট ও শরীরের বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে যন্ত্রণা ‘ডিসমেনোরিয়া’-র লক্ষণ হতে পারে। আবার ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের গোলমাল হলে ফাইব্রয়েড হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ‘ইউটেরাইন ফাইব্রয়েড’ হলে ঋতুস্রাবের সময়ে অত্যধিক রক্তপাত হয়, যন্ত্রণাও বাড়ে। আর এটি পরবর্তীতে সন্তানধারণেও সমস্যা তৈরি করে।

ঋতুস্রাব শুরুর আগে থেকে তীব্র যন্ত্রণা, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা

২০ থেকে ৪০ বছর বয়সি মহিলাদের এই সমস্যা বেশি হতে দেখা যায়। ঋতুস্রাবের সময়ে তো বটেই, ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগে ও শেষের পরে বেশ কিছু দিন পর্যন্ত তলপেট ও কোমরে অসহ্য ব্যথা হয়। মলত্যাগ করার সময়ে এবং প্রস্রাব করতে গেলেও তলপেটে যন্ত্রণা হতে পারে। ঋতুস্রাবের সময়ে অতিরিক্ত রক্তপাত এবং মাসে দু’বারও ঋতুস্রাব হতে পারে। সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যও ভোগাবে। এটি এন্ডোমেট্রিয়োসিসের লক্ষণ হতে পারে। এতে জরায়ুর ভিতরে ও বাইরের স্তরেও ছোট ছোট সিস্টের মতো তৈরি হয়, ডিম্বাশয় ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের ভিতরেও সিস্ট গজায়।

হরমোনের ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ

সারা শরীরে পুরুষের মতো লোমের আধিক্য, গালে ব্রণ, মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি ও ঘন ঘন মেজাজের বদল পিসিওএসের লক্ষণ হতে পারে। মেয়েদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের ভারসাম্য বিগড়ে গিয়ে পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলে এমন লক্ষণ দেখা দেয়। পিসিওএস থাকলে সন্তানধারণে সমস্যা হতে পারে।

infertility Pregnancy Fertility

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy