পুজোর আর কয়েকদিনই মাত্র বাকি। এই সময়ের মধ্যে ওজন কমানো সম্ভব নয়। তবে এমন কিছু ব্যায়াম আছে যা এখন থেকেই অভ্যাস করলে পেট টানটান দেখাবে। পেটের চর্বি কিছুটা হলেও কমবে। পুজোর যদি শাড়ি পরার পরিকল্পনা থাকে, তা হলে পেটের চর্বি কমিয়ে ফেলুন। শাড়িতে ছিপছিপে দেখাতে কোন কোন ব্যায়াম অভ্যাস করবেন, তা জেনে রাখা ভাল।
ক্রিস-ক্রস
পেট-কোমরের চর্বি কমাতে ও কাফ মাসলের জোর বৃদ্ধিতে এই ব্যায়ামটি উপযোগী। চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত মাথার পিছনে রাখুন। এ বার সাইকেল চালানোর মতো করে এক পা ভাঁজ করে বুকের কাছে আনুন এবং উল্টো দিকের কনুই দিয়ে সেই পায়ের হাঁটু ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। একই ভাবে অন্য পায়েও করুন। এই ব্যায়ামে ঊরু ও নিতম্বের পেশির মেদও কমবে।
আরও পড়ুন:
প্ল্যাঙ্ক
পেটের মেদ ঝরাতে প্লাঙ্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যায়াম। প্রথমে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। কনুই এবং পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে, শরীর টানটান রাখার চেষ্টা করুন। পেট ভিতর দিকে টেনে রাখুন। ৩০ সেকেন্ড করে তিনটি সেট দিয়ে শুরু করে, ধীরে ধীরে ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ওই অবস্থায় থাকার চেষ্টা করুন।
হাই নিজ়
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দৌড়ানোর মতো ব্যায়াম। তবে দু’টি হাঁটু এক বার করে করে বুক পর্যন্ত তুলতে হয়। কিন্তু মেরুদণ্ড একেবারে সোজা রাখতে হবে। হাঁটু ওঠানোর সঙ্গে সঙ্গে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়লে চলবে না। পায়ের পাতা দু’টিকে দুই কাঁধের সমান্তরাল রাখতে হবে, অর্থাৎ দূরত্ব যেন থাকে। এতে কোর মাংসপেশি দৃঢ় হয়। দ্রুত ক্যালোরি পোড়ে। নিয়মিত করলে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে।
পার্শ্ব চক্রাসন
প্রথমে ম্যাটের উপর দাঁড়িয়ে দু’টি পায়ের পাতা জোড়া করুন। হাত দু’টি থাকবে দু’পাশে। এটি শুরুর অবস্থান। এ বার কনুই দু’টি ভাঁজ করে হাতের তালু পিঠের নীচের দিকে রাখুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখুন। কোমর থেকে শরীরের উপরের অংশ পিছনের দিকে হেলিয়ে দিন। স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিতে নিতেই প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসুন। ৬-৭ বার এই আসনটি অভ্যাস করুন।