কর্মক্ষেত্রের উদ্বেগ, সংসারের দায়দায়িত্ব পালন, ব্যক্তিগত সমস্যার বোঝা সামলাতে সামলাতে রক্তচাপ কখনও ঊর্ধ্বে উঠছে, আবার কখনও নামছে। এর সঙ্গেই ধূমপান, মদ্যপান, কায়িক পরিশ্রম কমে আসা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস তো আছেই। রোজ সকালে প্রেসারের ওষুধ না খেলেই মাথাঘোরা, ক্লান্তি, শ্বাসের সমস্যা অনেকেরই হয়। যদি ওষুধের উপর নির্ভরতা কমাতে হয়, তা হলে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
প্রাণ মুদ্রা
প্রথমে ম্যাটের উপর সোজা হয়ে বসুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। দুই হাতের কনিষ্ঠা এবং অনামিকা একত্রিত করে বৃদ্ধাঙ্গুলের কাছাকাছি নিয়ে আসুন। খেয়াল রাখতে হবে, অন্যান্য আঙুল যেন ভাঁজ না হয়। এই ভাবে দু’টি হাঁটুর উপর দু’হাত রেখে মিনিট দশেক শান্ত হয়ে বসে থাকার চেষ্টা করুন।
আরও পড়ুন:
পর্বতাসন
প্রথমে হামাগুড়ি দেওয়ার মতো ভঙ্গিতে ম্যাটের উপর বসুন। খেয়াল রাখুন, কনুই যেন ভাঁজ না হয়। এ বার হাত এবং পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে নিতম্ব উপর দিকে তুলে ধরুন। কিন্তু হাঁটু ভাঁজ হবে না। দেখতে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর ‘এ’-এর মতো লাগবে। শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। তিন থেকে পাঁচ বার এই ব্যায়াম অভ্যাস করুন।
চক্রাসন
ম্যাটের উপর টান টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। শ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। এ বার ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করতে হবে। পায়ের পাতা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। দুই হাত ধীরে ধীরে উপরের দিকে প্রসারিত করুন। কনুই উল্টো দিকে ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার দু’পাশে। এ বার পা এবং হাতের পাতার উপর ভর দিয়ে পুরো শরীরটাকে মাটি থেকে শূন্যে তুলে নিন। মাথা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। শরীরের ভঙ্গি এমন হবে, যেন বাইরের থেকে দেখলে তা চাকার মতো লাগে। ২০ সেকেন্ড করে তিন সেটে আসনটি করতে হবে।