দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করা, ভুল ভঙ্গিমায় শোয়া কিংবা শারীরিক ক্লান্তি থেকে কোমর বা পিঠের ব্যথা যে কোনও সময়ে মাথাচাড়া দিতে পারে। পিঠ বা কোমরের ব্যথা সহজে সারে না। ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে সাময়িক আরাম হয়, তবে যন্ত্রণা নির্মূল হয় না। তাই পুজোর আগেই এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এবং শরীরকে নমনীয় ও সতেজ রাখতে নিয়মিত কিছু সহজ যোগাসন অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।
মার্জারাসন
মার্জারাসন অনেকটা বিড়ালের মতো ভঙ্গিমার আসন। অফিসে বসে যাঁরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করেন, তাঁদের জন্য এই আসন উপযোগী। আসনটি করার জন্য হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে মাটিতে বসতে হবে। দুই হাতের তালু ও হাঁটুতে ভর দিতে হবে। এ বার শ্বাস নিতে নিতে মাথা উপরের দিকে তুলুন। এই সময়ে পেটের দিক কিছুটা নীচে নেমে যাবে ও পিঠ অবতল হয়ে থাকবে। এ বার শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পিঠ উঁচু করুন, মাথা নীচের দিকে ঝুঁকে থাকবে। এতে পিঠ ও গলায় টান পড়বে। পিঠ ও কোমরের ব্যথা কমে যাবে।
আরও পড়ুন:
মকরাসন
ম্যাটের উপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। পিঠ টানটান থাকবে। কপাল মাটিতে ঠেকিয়ে রাখতে হবে। দুই পা টানটান থাকবে। ধীরে ধীরে শরীরের উর্ধ্বাংশ তুলুন। দুই হাতে ভর দিয়ে মাথা, ঘাড় ও বুক তুলতে হবে। এ বার কনুই ভাঁজ করুন। দুই হাতের তালু একে অপরের উপর রাখতে হবে। কপাল বা গাল এই ভাঁজ করা হাতের তালুর উপর রাখুন। আরামদায়ক ভঙ্গিতে আসনটি করতে হবে ৩০ সেকেন্ড।
সেতুবন্ধাসন
ম্যাটের উপরে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত দু’পাশে থাকবে। এ বার হাঁটু ভাঁজ করে পা মুড়ে দুই পায়ের পাতা নিতম্বের কাছে আনুন। পিঠ ও কোমরের উপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কোমর উপরে তুলুন। ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ডের মতো থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।