ভিটামিন সি, ই, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর আমলকির পুষ্টিগুণ গুনে শেষ করা কঠিন। চিকিৎসকেরা বলেন, টাটকা ফল চিবিয়ে জল খেয়ে নিলেই সুস্থ থাকবে শরীর। স্বাস্থ্যসচেতনদের অনেকেই সকাল শুরু করেন আমলকির রস খেয়ে। কিন্তু তা তো সকলের সহ্য হয় না।
এমনিতে আমলকি হজমে সহায়ক হলেও, অম্বলের ধাত থাকলে খালিপেটে আমলকির রস খেলে সমস্যা হতে পারে। তা ছাড়া, কষা স্বাদের আমলকি অনেকে ফল হিসাবে সরাসরি খেতেও পারেন না। ভাবছেন তা হলে খাদ্যতালিকায় আমলকি কী ভাবে রাখবেন? উপায় একাধিক।
আমলকির রায়তা
আমলকি দিয়েই বানিয়ে ফেলুন রায়তা। ছবি:সংগৃহীত।
আমলকি কুচিয়ে নিন। মিক্সারে আমলকি এবং নারকেলের টুকরো দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। মিহি না হয়ে একটু যেন দানা থাকে। টক দই, সৈন্ধব লবণ, ভাজা জিরেগুঁড়ো দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। তার মধ্যে মিশিয়ে দিন আমলকি এবং নারকেলের মিশ্রণটি। ভাল করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি রায়তা।
আমলকির রাইস
আমলকি দিয়ে ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে নিন। ছবি:সংগৃহীত।
আমলকি মিহি করে কুচিয়ে নিন বা গ্রেট করে নিন। কড়াইয়ে সাদা তেল দিয়ে ছোলার ডাল, বিউলির ডাল, কারিপাতা, শুকনোলঙ্কা, সর্ষে ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে যোগ করুন বাদাম। হালকা ভাজা হলে দিন নুন, হলুদ। গ্রেট করা আমলকি দিয়ে হালকা নাড়াচাড়া করে নিয়ে ভাত দিয়ে দিন কড়াইতে। স্বাদমতো চিনি দিতে পারেন। সমস্ত উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে আমলিক রাইস।
আমলকির চাটনি
আমলকি কুচিয়ে নিন। মিক্সারে আদা, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা, সৈন্ধব লবণ যোগ করুন। অল্প একটু জল দিয়ে ঘুরিয়ে নিন। চাটনি কিছুটা ধনেপাতার চাটনির মতো হবে, ঘন। বায়ুনিরোধী কৌটোয় ভরে ফ্রিজে ৪-৫ দিন অনায়াসে তা রেখে দিতে পারেন।