পরোটা খাবেন, অথচ অম্বল হবে না। যত খুশি খেলেও ওজন বাড়বে না। এমটাও কিন্তু সম্ভব। তবে সে পরোটা বানাতে হবে বিশেষ উপায়ে। দেশের তিন রাজ্যের তিন রকম স্বাস্থ্যকর পরোটার রেসিপি রইল।
রাজস্থানের রাজকীয় মুগ ডালের পরোটা
প্রোটিনে ভরপুর মুগ ডাল সহজে হজম হয়। কম তেলে বা ঘি দিয়ে এমন পরোটা বানাতে হবে যা খেতে যেমন সুস্বাদু হবে, তেমন অম্বলও হবে না।
এক কাপের মতো মুগ ডাল ভিজিয়ে রেখে তা বেটে নিন। এ বার আটার সঙ্গে ডাল, হিং, জোয়ান, আদা, নুন ও সামান্য জল দিয়ে নরম করে মেখে ১৫ মিনিট ঢেকে রাখুন। এর পর লেচি কেটে পাতলা করে বেলে তাওয়ায় সামান্য ঘি বা কম তেলে এপিঠ-ওপিঠ লালচে করে সেঁকে নিন। পুদিনার চাটনি বা আচার দিয়ে খেতে পারেন এমন পরোটা।
আরও পড়ুন:
পঞ্জাবের মেথি-রাগির পরোটা
মেথিশাক ডায়াবিটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রাগি ফাইবারে ভরপুর। কাজেই ময়দার বদলে এ সব দিয়ে পরোটা বানালে তা স্বাস্থ্যকর হবেই।
স্বাস্থ্যকর পরোট কী ভাবে বানাবেন?
এক কাপের মতো মিহি করে কাটা মেথিশাক ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এ বার রাগির আটার সঙ্গে কুচোনো মেথিশাক, ১ চামচের মতো আদাবাটা, আধ চা-চামচ জিরেগুঁড়ো ও ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে ভাল করে মেখে আধঘণ্টা রেখে দিন। লেচি কেটে বেলে তাওয়ায় সেঁকে নিতে পারেন, অথবা সামান্য ঘি দিয়ে ভেজে নিতে পারেন।
উত্তরপ্রদেশের ছাতুর পরোটা
আটা বা ময়দার মতোই করেই ছাতু মেখে নিতে হবে। অল্প অল্প জল দিয়ে নরম করে মেখে নিন। স্বাদ বাড়ানোর জন্য তাতে পেঁয়াজ, লঙ্কা, ধনেপাতাকুচি মেশাতে পারেন। তার পর ছোট ছোট লেচি করে পরোটা বানান কম তেলে বা ঘি-তে। এই পরোটা খেতেও ভাল হবে, খেলে ওজন বৃদ্ধির ভয়ও থাকবে না।