Advertisement
E-Paper

খাওয়ার আগে খাওয়া! বিশেষ ডায়েট শঙ্করবাড়ির কন্যার, পান্তা ও মুরগির ঝোলেই মেদ ঝরান শ্রীনন্দা

পেশার কারণে রোগা, ছিপছিপে থাকতে হয় শ্রীনন্দা শঙ্করকে। কিন্তু এ দিকে খাদ্যরসিক বাঙালি তিনি। তাই খাওয়ার কায়দায় নানা রকমের কৌশল প্রয়োগ করতে হয় ফিট থাকার জন্য।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:৫৫
Sreenanda Shankar shares her healthy hacks for maintaining weight

কী ভাবে নিজেকে ফিট রাখেন শ্রীনন্দা? — নিজস্ব চিত্র।

এক দিকে খাবারদাবার নিয়ে ভ্লগিং, অন্য দিকে মডেলিং। এক দিকে মঞ্চমাতানো নৃত্য পরিবেশনের দায়িত্ব, অন্য দিকে মায়ের সঙ্গে স্কুল পরিচালনা। পাশাপাশি অভিনয়ও করেন শ্রীনন্দা শঙ্কর। শঙ্করবাড়ির কন্যার পেশার বিস্তার সহজে মাপা যাবে না। এক দিকে খাবার খেয়ে দেখতেই হবে, অন্য দিকে রোগা থাকতেই হবে, তার উপর আবার শক্তিবৃদ্ধির প্রয়োজন প্রবল কায়িক শ্রমের জন্য। তা হলে কী ভাবে নিজেকে ফিট রাখেন শ্রীনন্দা? বললেন আনন্দবাজার ডট কম-কে।

খাওয়ার কায়দায় নানা রকমের কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি। শ্রীনন্দার কথায়, ‘‘আমি সব খাই। কিন্তু নিয়ম মেনে। কিন্তু সেই নিয়ম সকলের জন্য উপযুক্ত হবে, সে কথা আমি বলব না। আমি নিজে পুষ্টিবিদও নই, ফলে অন্যের ব্যাপারে বলতেও পারব না। আমার নিজের শরীর যে নিয়মটায় মানিয়ে নিয়েছে, সেটাই আমি অনুসরণ করি।’’

সকালে কী কী খান শ্রীনন্দা?

সকালে কী কী খান শ্রীনন্দা? — নিজস্ব চিত্র।

এশিয়া, তাইল্যান্ড, ফ্রান্স, ইটালি থেকে পশ্চিমবঙ্গ— নানা অঞ্চলের হরেক খাবার খেতে ভালবাসেন খাদ্যরসিক শ্রীনন্দা। তবে পান্তাভাত আর মুরগির মাংসের পাতলা ঝোল একটু বেশিই পছন্দ তাঁর। এমনিতে দু’বেলা ভাত না খেলে চলে না। তা ছাড়া পেশার কারণে নানা রেস্তরাঁর খাবার খেতে হয় তাঁকে। তাই খাওয়ার পদ্ধতিতে কয়েকটি কৌশল প্রয়োগ করেন তিনি।

প্রথমত, খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন আগের তুলনায়। সব খাবার খেয়েই এক বছরে ৫ কেজি ওজন কমেছে তাঁর। কড়া ডায়েট মেনে চলতে হয়নি। আর তার জন্য যে কোনও খাবারই অল্প পরিমাণে খান। বলা যেতে পারে, খেয়ে দেখেন না, চেখে দেখেন শ্রীনন্দা। রোজ দু’বেলা ভাত খেলেও ১৫০-২০০ গ্রামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেন পরিমাণ।

শ্রীনন্দা কি কড়া ডায়েট মেনে চলেন?

শ্রীনন্দা কি কড়া ডায়েট মেনে চলেন? — নিজস্ব চিত্র।

দ্বিতীয়ত, খেতে বসার আগে সব্জি দিয়ে বানানো ডাল খেয়ে নেন এক বাটি। অথবা স্যুপ খেয়ে নেন। তাতে অর্ধেক পেট ভরেই যায়। তার পর অল্প পরিমাণে সব খাবার খান।

তৃতীয়ত, সকালে ভাজা ডিম না খেয়ে ওয়াটার পোচ খান শ্রীনন্দা। ফুটন্ত জলের উপর ছাঁকনি রেখে তাতে ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দেন, নরম কুসুম পছন্দ, তাই অল্প খানিকক্ষণ রেখেই তুলে নেন থালায়। কখনও আবার ডিম সেদ্ধ, ফল, টোস্টও খান প্রাতরাশে। শ্রীনন্দার কথায়, ‘‘সকালে লুচি, পরোটা, গোলারুটিও খাই, কিন্তু ৪-৫টা খেয়ে নেব না। ১টা অথবা বড়জোর ২টি খেতে পারি। তার বেশি নয়।’’

চতুর্থত, মিষ্টিপ্রেমী নন শ্রীনন্দা। তবে যদি বিরল কোনও ডেসার্ট পড়ে থালায়, তা হলে না খেয়ে পারে না। আর যদি মিষ্টি খেতেই হয়, তা হলে ফল দিয়ে সে আকাঙ্ক্ষা মিটিয়ে নেন।

শ্রীনন্দা খুবই সংযমী মানুষ। তাঁর কথায়, ‘‘আমার বড় গুণ, আমি থামতে জানি। খেতে ভাললাগে বলে খেয়েই গেলাম, সেটা করি না। আবার চেখেও দেখব না, এমনও নই। পরিমাণ বুঝে খাই। কোনও দিন দুপুরে বেশি খেয়ে ফেললে রাতে শুধু স্যুপ খেয়ে নিই। ভারসাম্য বজায় রাখাটাই আমার জন্য আসল।

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy