Advertisement
E-Paper

পুজোর অনিয়মে বাড়ছে রক্তে শর্করার মাত্রা! সকালে খালি পেটে বিশেষ পানীয়ে চুমুক দিলেই কমবে ফাস্টিং সুগার

পুজোর ক'দিন লুচি, বিরিয়ানি আর রসগোল্লা খেয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা আকাশছোঁয়া? চিন্তা বাড়ছে ফাস্টিং সুগার নিয়ে? সকালে খালি পেটে একটি বিশেষ পানীয়ে চুমুক দিলেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে সুগার। রইল সেই ঘরোয়া টোটকার হদিস।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:৪১
সুগারের ঘরোয়া দাওয়াই।

সুগারের ঘরোয়া দাওয়াই। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পুজো মানেই খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম। ডায়েটের কড়া নিয়মকে চার দিনের জন্য বাক্সবন্দি করে লুচি-মাংস থেকে বিরিয়ানি, আর শেষপাতে একটা নয়, দু-তিনটে রসগোল্লাও খেয়ে ফেলছেন কেউ কেউ। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেই চুপিসারে বাড়ছে রক্তে শর্করার মাত্রা। মিষ্টি আর তেল-ঝাল খাবারের ঠেলায় অষ্টমীর অঞ্জলির আগেই অনেকের সুগারের মাত্রা বেশ খানিকটা বেড়ে যায়। এই সময় একটু সতর্ক না হলেই বিপদ! রোজ নিয়ম করে একটি পানীয়ে চুমুক দিলেই মিলতে পারে স্বস্তি। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ফাস্টিং সুগার পরীক্ষা করা ভীষণ জরুরি। প্রাতরাশের আগে একটি পানীয় খেয়ে নিলে ২১ দিনের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে ফাস্টিং সুগার।

চিনি খাওয়া কমিয়েও অনেকের ফাস্টিং সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি থাকে। মেথি দিয়ে তৈরি একটি পানীয় নিয়ম করে খেলেই এই মুশকিল আসান হতে পারে। পানীয়টি বানানোর জন্য রাতে ২৫০ মিলিলিটার জলে ১ চামচ মেথি ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে চামচ দিয়ে ভাল করে নাড়িয়ে পানীয়টি ছেঁকে নিন। তার পর তাতে মিশিয়ে দিন ১/৪ চা-চামচ দারচিনির গুঁড়ো। প্রাতরাশের আধ ঘণ্টা আগে এই পানীয় খেয়ে নিতে হবে। এর পর প্রাতরাশের সঙ্গে ১টি গোটা আমলকি বা ২০-৩০ মিলিলিটার আমলকির রস খেতে হবে।

মেথিতে থাকা দ্রাব্য ফাইবার অন্ত্র থেকে রক্তে গ্লুকোজ়ের যাতায়াতের গতিকে ধীর করে দেয়, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা একলাফে অনেকটা বাড়ে না। দারচিনিতে থাকা কিছু উপাদান ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে সেলন প্রজাতির দারচিনি ব্যবহার করলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়। রক্তে গ্লুকোজ়ের মাত্রা বেড়ে গেলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রাও বেড়ে যায়। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে কোষগুলি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

তবে সুগারের রোগীদের এই পানীয় খাওয়ার সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। শর্করার মাত্রা খুব কমে গেলে আবার মুশকিল হতে পারে। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা মহিলা কিংবা যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাঁদের এই পানীয় না খাওয়াই ভাল।

প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। তবে সুগারের রোগীরা ডায়েটে বদল আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Diabetes

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy