Advertisement
E-Paper

দুপুরে প্রায়শই ভাতঘুম দেন বাঙালি ব্যাডমিন্টন তারকা! সকালে স্মুদিতে চুমুক লক্ষ্য সেনের, কী থাকে তাতে

ব্যাডমিন্টন কোর্টে দ্রুত গতি, দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ এবং একের পর এক কঠিন ম্যাচ সামলাতে শুধু শারীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। তার সঙ্গে দরকার সঠিক খাবার এবং ঠিক সময়ে খাওয়া। টুর্নামেন্টের আগে লক্ষ্য কী খান?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ অগস্ট ২০২৬ ১০:৩৫
লক্ষ্যের খাদ্যাভ্যাস কী?

লক্ষ্যের খাদ্যাভ্যাস কী? ছবি: সংগৃহীত।

ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় নিয়েছেন বাঙালি তারকা খেলোয়াড় লক্ষ্য সেন। কিন্তু তা বলে তাঁর প্রস্তুতিতে কোনও খামতি ছিল না। আগামী দিনেও থাকবে না। তাঁর ফিটনেস রুটিনের সম্পর্কে জানলে বোঝা যাবে, বড় লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছেন লক্ষ্য।

ব্যাডমিন্টন কোর্টে দ্রুত গতি, দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ এবং একের পর এক কঠিন ম্যাচ সামলাতে শুধু শারীরচর্চাই যথেষ্ট নয়। তার সঙ্গে দরকার সঠিক খাবার এবং ঠিক সময়ে খাওয়া। টুর্নামেন্টের আগে তাঁর ডায়েটের মূল কথা— সহজ, পরিচিত ঘরোয়া খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন এবং বার বার অল্প পরিমাণে খাওয়া। টুর্নামেন্ট না থাকলে ‘চিট ডে’-র সুবিধা নেন তরুণ খেলোয়াড়।

বাঙালি তারকা খেলোয়াড় লক্ষ্য।

বাঙালি তারকা খেলোয়াড় লক্ষ্য। ছবি: সংগৃহীত

অলিম্পিক্‌সের প্রস্তুতির সময় লক্ষ্যের মা তাঁর সঙ্গেই ছিলেন। খেলা শুরুর দু’সপ্তাহ আগে যখন লক্ষ্য একটি মার্শাল আর্ট ক্যাম্পে অনুশীলনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন তাঁর মা নিজের হাতে সম্পূর্ণ ঘরোয়া খাবার তৈরি করে দিয়েছিলেন। লক্ষ্যের মতে, এই ঘরের খাবার তাঁর পারফরম্যান্সে ভাল প্রভাব ফেলেছিল। এমনকি, বাড়িতেও নিয়মটা একই রকম। লক্ষ্য খেলা বা অনুশীলন শেষ করে আসার ঠিক পর পরই যাতে খেতে পারেন, সে ভাবেই তাঁর মা সব সময়ে সঠিক সময়ে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করে রাখেন।

লক্ষ্যের দিনযাপনটা ঠিক কেমন?

সকাল: বাঙালি ব্যাডমিন্টন তারকা খুব ভোরে ওঠেন। সকাল সাড়ে ৮টায় অনুশীলন শুরু হয়ে যায়। তাই ৭টা নাগাদ এক গ্লাস স্মুদি খেতে হয় তাঁকে। সঙ্গে ২-৩টি ডিমও খান তিনি। স্মুদিতে থাকে আপেল, কলা, কিউয়ি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরির মতো ফল। আমন্ডের দুধ আর কয়েকটি বাদাম দিয়ে পিষে নিয়ে খেয়ে নেন খেলোয়াড়। এর ফলে কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার এবং অল্প পরিমাণে প্রোটিনও থাকে তাতে। প্রথম ২-৩ ঘণ্টার অনুশীলনপর্বের জন্য এমন হালকা প্রাতরাশ বেশ উপযুক্ত।

টুর্নামেন্ট না থাকলে ‘চিট ডে’-র সুবিধা নেন তরুণ খেলোয়াড়।

টুর্নামেন্ট না থাকলে ‘চিট ডে’-র সুবিধা নেন তরুণ খেলোয়াড়। ছবি: সংগৃহীত

দুপুর: অনুশীলন থেকে ফিরে এসে বেলা ১২টার মধ্যে খাওয়াদাওয়া শেষ করে নেন লক্ষ্য। অতিরিক্ত খান না। কিন্তু তাতে অবশ্যই ভাত থাকে। সঙ্গে মাছ বা মাংসও থাকা জরুরি। কোনও কোনও দিন রেড মিটও খেয়ে নেন তিনি। দুপুরে খাওয়ার পর একটু ঘুম যে চাই-ই চাই। বাঙালির সন্তান বলে কথা, ভাতঘুম না হলে চলে?

বিকেল: বিকেলের অনুশীলনের আগে হালকা খাবার খান লক্ষ্য। হয় আর একটি স্মুদি অথবা ওট্‌স কিংবা ফল খান তিনি। সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে খেলার অনুশীলন শেষ হয় তাঁর।

রাত: ফিরে এসে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে নৈশভোজ সেরে নেন লক্ষ্য। পেট ভরে খাবার খেয়ে দিনের মতো খাওয়ার পাট চুকিয়ে ফেলেন ২৫ বছরের খেলোয়াড়।

Lakshya Sen Badminton Palyer Celebrity diet

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy