বিশ্বকাপের সেরা হতে পারেননি। তবে নিজের রূপ বদলে ফেলে ফের আলোচনায় এসেছেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়াস জুনিয়র। মাঠে তাঁর দক্ষতা নিয়ে আলোচনা তো হয়ই, এ বার সৌন্দর্যচর্চার জগতেও নজর কেড়েছেন তিনি। অস্ত্রোপচার করিয়ে থুতনির আকারই বদলে দিয়েছেন ভিনিসিয়াস। যে কারণে তাঁর মুখের গড়নও বদলে গিয়েছে। চোয়াল, থুতনি ও গালের নীচের অংশের রূপ বদলে আরও আকর্ষণীয় হয়েছে তাঁর চেহারা। থুতনির এমন অস্ত্রোপচারের নাম ‘চিন হারমোনাইজ়েশন’। কী এই সার্জারি?
অনেকটা প্লাস্টিক সার্জারির মতো, তবে ধরন কিছুটা আলাদা। থুতনির আকার, গঠন এমন ভাবে বদলানো হয়, যাতে মুখের গড়ন আরও সুন্দর হয়। তবে সবসময় যে কাটাছেঁড়া করে অস্ত্রোপচার হয়, তা নয়। ফিলার ব্যবহার করেও থুতনির আকার বদলানো হয়। যাঁর যেমন চাহিদা, সে-ই অনুযায়ী থেরাপি করা হয়। এটি কোনও বড় ধরনের অস্ত্রোপচার নয়, তাই অল্প দিনেই প্রাত্যহিক কাজে ফেরা যায়।
ব্রাজিলের ফুটবলার কেমন থেরাপি করিয়েছেন?
ভিনিসিয়াস জুনিয়র যে থেরাপি করিয়েছেন, তার নাম ‘প্রোফাইল হারমোনাইজ়েশন’। এতে থুতনির আকার, আয়তন ও অনুপাত বদলে মুখের গড়ন সামান্য বদলানো হয়। এতে থুতনি অনেক বেশি দৃঢ় দেখায়, চোয়ালের গড়নেও বদল আসে। দেখতে আরও আকর্ষণীয় লাগে। তবে সবটাই হয় মুখের গড়নের সঙ্গে ভারসাম্য রেখেই।
আরও পড়ুন:
প্রথমে ত্বকের নীচে হায়ালুরনিক ফিলার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। চোয়ালের পেশি শিথিল করে মুখের আকার বদলানো হয় বোটক্স করে। থুতনির গড়নে যদি অনেকটা বদল আনতে হয়, তা হলে হাড় কেটে অস্ত্রোপচার করা হয়। অনেক সময়ে আবার সিলিকন ইমপ্ল্যান্ট করেও থুতনি আরও দৃঢ় ও সুগঠিত করা হয়।
কী হয় এই থেরাপিতে?
নাক, ঠোঁট এবং চোয়ালের সঙ্গে থুতনির সঠিক অনুপাত তৈরি করা হয়। এতে দেখতে আরও আকর্ষণীয় লাগে।
বয়সের কারণে গাল ও চোয়ালের চামড়া ঝুলে পড়লে বা মুখে অসংখ্য বলিরেখা ফুটে উঠলে, এই থেরাপি করিয়ে যৌবনের দীপ্তি ফিরিয়ে আনা হয়। মুখ অনেক বেশি টানটান লাগে। শুধু বোটক্সে যা করা সম্ভব নয়।
ডবল চিনের সমস্যা থাকলে এই থেরাপি করিয়ে চোয়াল অনেক বেশি তীক্ষ্ণ করা হয়।
থুতনির সার্জারি এ দেশে করালে, তার খরচ নির্ভর করবে কী ধরনের ক্লিনিকে করাচ্ছেন তার উপরে। কাটাছেঁড়া ছাড়া কেবল ফিলার বা বোটক্স ব্যবহার করলে খরচ ৩০ হাজার থেকে দেড় লাখের মতো। হাড় কেটে অস্ত্রোপচার করলে তার খরচ দেড় লাখ থেকে ৫ লাখ অবধি হতে পারে।
কারা করাবেন না?
কেবল ফিলার বা বোটক্স ব্যবহার করে থুতনির থেরাপি করালেও ত্বক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, ত্বকে কোনওরকম সংক্রমণ থাকলে, সোরিয়াসিস বা এগ্জ়িমার মতো চর্মরোগ থাকলে, অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে এই থেরাপি করানো যাবে না।