৫০-এ তাঁকে যেমন দেখাত, ৬০-এর দোরগোড়াতেও প্রায় তেমনটাই আছেন। প্রকৃতির নিয়মে বয়স বেড়েছে। তবে জীবনযাপনের নিয়মশৃঙ্খলায় সেই বয়সকেই ধরে রাখতে সমর্থ বলিউডের ‘খিলাড়ি’।
মারকাটারি অ্যাকশন থেকে রোম্যান্টিক নায়ক, কমেডি ছবিতে সমান ভাবে সাবলীল অক্ষয় কুমার। তাঁর অনুরাগীও কম নয়। বলিউডের অন্যতম ফিট অভিনেতার জীবনযাপন নিয়ে আগ্রহ রয়েছে যথেষ্ট। তা নিয়ে বিশেষ রাখঢাকও করেন না আক্কি।
আরও পড়ুন:
চলতি বছরেই ‘ভূত বাংলা’ এবং ‘ওয়েলকাম ট্যু দ্য জঙ্গল’ দুই ছবিতে দেখা গিয়েছে অক্ষয়কে। কাজ করতে গেলে, ফিট থাকতেই হয়। সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে ৫৮-তেও এত চনমনে থাকার রহস্য প্রকাশ করেছেন তিনি। সুস্থ থাকতে তাঁর ভরসা ৮-৮-৮ নীতি। দিনের ২৪ ঘণ্টাকে তিন ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন। ৮ ঘণ্টা করে এক একটি কাজ। ঘড়ি ধরে না করলেও, অক্ষয়ের জীবনে অগ্রাধিকার পায় স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পর্যাপ্ত ঘুম এবং কাজ। সঙ্গে অবশ্যই পরিবারের জন্য যাপন।
ঘুমের সঙ্গে আপস নয়: বলিউডের অনেক অভিনেতা যখন গভীর বা ভোররাত পর্যন্ত কাজ করতে পছন্দ করেন, আক্কি তখন রাতটা রাখেন ঘুমোনোর জন্যই। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকা, পার্টি, খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম, অক্ষয়ের রুটিনে জায়গা পায় না। রাত সাড়ে ৯টা বাজতে না বাজতেই শুয়ে পড়েন তিনি। ওঠেন ঘড়ি ধরে ভোর ৪টেয়। অভিনেতার কথায়, মাথা এবং শরীরের সঠিক সমন্বয় এবং কার্যকারিতা ধরে রাখার জন্য ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
সকাল শুরু হয় শারীরচর্চায়: নির্মেদ, পেশিবহুল চেহারা কোনও সংক্ষিপ্ত পন্থায় মেলে না। খাওয়াদাওয়া নিয়ে যতটা সচেতন আক্কি, ততটাই শারীরচর্চা নিয়েও। মার্শাল আর্ট, যোগব্যায়াম, দৌড়োনো, সাঁতারে নিজেকে সুস্থ রাখেন অভিনেতা। ওজন নিয়ে শারীরিক কসরত, খেলাধুলোয় শরীর ফিট রাখার পক্ষপাতি অক্ষয়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়ম করে যোগাসন, ধ্যান, প্রাণায়ামও করেন।
খাবার নিয়ে ভীষণ কড়া অভিনেতা: খাদ্যতালিকা যেমন নির্দিষ্ট, খাওয়ার নিয়মকানুনেও কড়া অক্ষয়। ৫৩-তে পৌঁছে ভিগান ডায়েট বেছে নিয়েছিলেন তিনি। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং-এও আস্থা রাখেন অভিনেতা। রবিবার নৈশাহারের পর খাবার খান মঙ্গলবার সকালে। একটি গোটা দিন না খেয়ে তিনি পাকস্থলীকে বিশ্রাম দেন। খাদ্যতালিকায় থাকে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।