Advertisement
E-Paper

দিনভর শুটিং, বিতর্কও পিছু ছাড়ে না, কী ভাবে মানসিক চাপ সামলান দিলজীত, শেখালেন এক বিশেষ পদ্ধতি

গান, অভিনয়, লাইভ শো— সবই করেন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকা। তাঁর উপস্থিতি আলাদা উন্মাদনা তৈরি করে দর্শকমহলে। বিতর্কও তাঁর নিত্যদিনের সঙ্গী। দিনভরের কাজ ও মানসিক চাপ সামলে কী ভাবে উৎসাহ ফিরে পান দিলজীত দোসাঞ্ঝ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬ ০৯:১২
Why Diljit Dosanjh Wakes Up 3 Hours before Work, the Science Behind His Morning Routine

বিতর্ক যতই হোক, এক বিশেষ উপায়ে মানসিক চাপ সামলে কাজে উৎসাহ ফিরে পান দিলজীত। ছবি: সংগৃহীত।

ওটিটি থেকে সম্প্রতি তুলে নেওয়া হয়েছে দিলজীত দোসাঞ্ঝের ছবি ‘সতলুজ’। ছবিটি নিয়ে বিস্তর জলঘোলাও হচ্ছে। তবে নানা কারণে আগেও বিতর্কের মুখে বহু বারই পড়েছেন দিলজীত। তিনি গান গান, লাইভ শো করেন, অভিনয় করেন— একাধারে তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তারকা। দেশের বাইরে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা বিপুল। মঞ্চে দিলজীত এলে আলাদাই উন্মাদনা তৈরি হয়। দিনভর কাজের চাপ, শুটিং, দেশ-বিদেশে ছুটে চলা এবং সীমাহীন বিতর্কের মাঝেও মাথা ঠান্ডা রেখে নতুন করে কাজের উৎসাহ ফিরে পান। এ জন্য আলাদা করে কোনও পরিশ্রম করতে হয় না তাঁকে। কোনও থেরাপিও করাতে হয় না। কী ভাবে তা করেন, সেই পদ্ধতি শেখালেন নিজেই।

ইনস্টাগ্রামের এক লাইভ সেশনে এসে দিলজীত জানিয়েছেন, মন ভাল রাখার সহজ উপায় হল, নিজেকে সময় দেওয়া। রোজ সকালে অন্তত ঘণ্টা তিনেক সময় নিজের জন্য রাখেন তিনি। কাজে যখনই বেরোতে হোক না কেন, তার তিন ঘণ্টা আগেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন। যদি শুটিং ভোর ৬টায় থাকে, তা হলে তারও তিন ঘণ্টা আগে উঠে পড়েন। ওই সময়টাই তাঁর নিজের। সেই সময়ে নিজের পছন্দের কাজ করতে ভালবাসেন। গান শোনেন, ধ্যান করেন, ব্যায়াম করার ইচ্ছা হলে তা করেন, ধীরেসুস্থে স্নান-খাওয়া সারেন, বিশ্রাম নেন, তার পরে কাজ শুরু করেন। অর্থাৎ, তাড়াহুড়ো করে নয়, ধীরেসুস্থে দিন শুরু করার পরামর্শই দিলেন দিলজীত। ওই নিজস্ব সময়টাই মন ভাল রাখতে সাহায্য করে। কাজে উৎসাহও ফিরে পান তিনি।

কেন এই অভ্যাস উপকারী?

সকালে ঘুম ভাঙার পরের তিন ঘণ্টা কী ভাবে কাটাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করবে সারাটা দিন। কেবল দিলজীত নন, এ পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদেরাও। জাপানে এই পন্থা মেনে চলা হয়। সকালে কেউই হুড়োহুড়ি করে কাজ করেন না। দিন শুরু করেন ধীরেসুস্থে, হাতে সময় নিয়ে। বাইরে বেরোনোর অন্তত ঘণ্টা তিনেক আগে উঠে পড়া জরুরি। ওই তিন ঘণ্টার মধ্যেও সময় ভাগ করে নিতে হবে। ঘুম থেকে উঠে আগে এক গ্লাস জল খান। তার পর দৈনন্দিন কাজ সেরে হালকা ব্যায়াম ও মেডিটেশন করুন। ধীরেসুস্থে স্নান ও প্রাতরাশ সারুন। কিছু পড়ার থাকলে, তা পড়ুন। তার পর রোজের পেশাগত কাজ শুরু করুন।

এই বিষয়ে মনোবিদ অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়ের মত, ‘‘সকালের প্রথম কয়েক ঘণ্টা শান্ত ও পরিকল্পিতভাবে শুরু করলে মনোযোগ, কর্মক্ষমতা এবং মানসিক সুস্থতা বাড়তে পারে। ঘুম থেকে উঠে জল পান করা, হালকা ব্যায়াম, কয়েক মিনিট মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন বা প্রাণায়াম করা এবং তাড়াহুড়ো না করে দিন শুরু করা উপকারী অভ্যাস। তবে "প্রথম তিন ঘণ্টাই পুরো দিনের সাফল্য নির্ধারণ করে"—এমন দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই কঠোর নিয়মের চেয়ে নিজের জীবনযাত্রার সঙ্গে মানানসই একটি স্বাস্থ্যকর সকালের রুটিন গড়ে তোলাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’’

Diljit Dosanjh Fitness Tips Healthy Morning Habits

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy