রাতের বেঁচে যাওয়া রুটি ফেলে না দিয়ে তা দিয়েই প্রাতরাশ সারুন। অনেক বাহারি এবং তথাকথিত স্বাস্থ্যকর খাবারের থেকে এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। কারণ, দীর্ঘ ক্ষণ রেখে দেওয়া রুটিতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এমন কিছু উপকারী উপাদান তৈরি হয়, যা শরীরের নানা জটিল সমস্যা দূর করতে সাহায্য করতে পারে।
রেজ়িস্ট্যান্ট স্টার্চ: রাতের রুটি দীর্ঘক্ষণ (৮-১০ ঘণ্টা) সাধারণ তাপমাত্রায় রেখে দিলে তাতে এক ধরনের বিশেষ ফাইবার বা ‘রেজ়িস্ট্যান্ট স্টার্চ’ তৈরি হয়। এই স্টার্চ সহজে রক্তে শর্করা দ্রবীভূত হতে দেয় না এবং শরীরের শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
রক্তে শর্করার মাত্রা : টাটকা গরম রুটির তুলনায় বাসি রুটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক কম থাকে। ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত নিরাপদ। এটি সকালে খাওয়ার পর রক্তে ঝট করে ব্লাড সুগার বাড়তে দেয় না, বরং নিয়ন্ত্রণে রাখে।
হজমশক্তি : বাসি রুটিতে থাকা রেজ়িস্ট্যান্ট স্টার্চ পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে চমৎকার কাজ করে। এটি প্রিবায়োটিক অর্থাৎ পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে এবং হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রেখে গ্যাস্ট্রিক বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে।
কী ভাবে খাবেন? বাসি রুটি দুধ বা দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে প্রাতরাশে খেতে পারেন বা বিভিন্ন শাক সব্জি দিয়ে খেতে পারেন। এটি ওজন কমানোর জন্যও সহায়ক।