সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, মানুষের জন্মতারিখের একক সংখ্যা তার স্বভাব, ব্যক্তিত্ব এবং যোগাযোগের ধরন নির্ধারণ করে। কিছু জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা স্বভাবগত ভাবেই মেসেজের তাৎক্ষণিক উত্তর দেওয়ার চেয়ে নিজের জগৎ বা কাজ নিয়ে বেশি মনোযোগী হয়ে থাকেন। অনলাইনে চ্যাট করা তাঁদের ধাতে সয় না। সে কারণে, সেই বিশেষ তিন জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকাদের হোয়াট্সঅ্যাপে মেসেজ করলেও চাতক পাখির মতো উত্তরের আশায় বসে থাকতে হয়। হোয়াট্সঅ্যাপে সবচেয়ে দেরিতে উত্তর দেওয়ার তালিকায় সাধারণত ৩, ৭ এবং ৮ জন্মসংখ্যার ব্যক্তিরা শীর্ষে থাকেন। নীচে তা নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করা হল—
জন্মসংখ্যা ৩
এই সংখ্যার অধিপতি গ্রহ হল বৃহস্পতি। ৩ সংখ্যার জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত সৃজনশীল, সামাজিক এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হন। তবে এঁদের দেরিতে উত্তর দেওয়ার কারণ সম্পূর্ণ আলাদা। একসঙ্গে অনেকগুলি কাজ হাতে রাখেন তাঁরা। একসঙ্গে অনেক কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে মনোযোগ হারিয়ে ফেলেন। তাঁরা মেসেজের নোটিফিকেশন দেখেন, এমনকি মনে মনে একটা উত্তরও ঠিক করে ফেলেন। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই অন্য কোনও সৃজনশীল চিন্তা বা কাজ তাঁদের মনোযোগ কেড়ে নেয়। ফলে এঁরা ভাবেন উত্তর তো দিয়েই দিয়েছি, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের জবাব দেওয়া হয় না।
আরও পড়ুন:
জন্মসংখ্যা ৭
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, ৭ জন্মসংখ্যার অধিপতি গ্রহ হল কেতু। এই সংখ্যার জাতক-জাতিকারা মূলত অন্তর্মুখী, চিন্তাশীল এবং আধ্যাত্মিক স্বভাবের হন। এঁরা সাধারণত কোলাহল বা অনবরত চ্যাটিং পছন্দ করেন না। ফোন বা সমাজমাধ্যম থেকে মাঝেমধ্যেই এঁরা দূরত্ব বজায় রাখতে ভালবাসেন। কোনও মেসেজ এলে এঁরা ভাবেন, পরে সময় বার করে উত্তর দেবেন। কিন্তু পরে নিজের গভীর চিন্তাভাবনার জগতে হারিয়ে যাওয়ার কারণে সেই মেসেজের কথা সম্পূর্ণ ভুলে যান। এঁদের কাছে অনলাইন যোগাযোগের চেয়ে নিজস্ব শান্তি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মসংখ্যা ৮
এই সংখ্যার অধিপতি গ্রহ হল শনি। ৮ জন্মসংখ্যার জাতক-জাতিকারা অত্যন্ত বাস্তববাদী, কর্মমুখী এবং কঠোর পরিশ্রমী হন। তাঁদের জীবনের মূল লক্ষ্য থাকে কর্মক্ষেত্রের উপর। কাজের সময় ফোন দেখাকে বিভ্রান্তি বলে মনে করেন তাঁরা। কর্মব্যস্ততার মাঝে আসা মেসেজকে খুব একটা গুরুত্ব দেন না। অহেতুক গল্প করার চেয়ে কাজ শেষ করা এঁদের কাছে প্রধান অগ্রাধিকার। কাজ শেষ করে যখন তাঁরা অবসর পান, তত ক্ষণে অনেকটা সময় পার হয়ে যায়।