Advertisement
E-Paper

কাশ্মীরের কুলগামে সন্ত্রাসবাদী হানায় আরও এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু! নেপথ্যে লশকরের সেই ছায়া সংগঠন

কেল্লামে সন্ত্রাসবাদী হামলা হওয়ামাত্রই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ-সিআরপিএফ-সেনার যৌথবাহিনী তল্লাশি অভিযান (নিরাপত্তার পরিভাষায়, ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ অপারেশন’ বা ক্যাসো) শুরু করেছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ অগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৮
কুলগামে নিরাপত্তাবাহিনীর টহলদারি।

কুলগামে নিরাপত্তাবাহিনীর টহলদারি। —ফাইল চিত্র।

জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় সন্ত্রাসবাদী হামলায় গুলিবিদ্ধ দ্বিতীয় পরিযায়ী শ্রমিকেরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর নাম ভূপেন্দ্র কুমার। শুক্রবার সন্ত্রাসবাদী হামলায় নিহত দীপক রাতরের মতো ভূপেন্দ্রও ছত্তীসগঢ়ের বাসিন্দা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুলগাম জেলার কেল্লাম গ্রামের একটি ইটভাটায় হানা দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদীরা। নিহত দুই শ্রমিক সেখানেই কাজ করতেন। সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে ঘটনাস্থলে দীপকের মৃত্যু হয়। গুরুতর জখম ভূপেন্দ্রকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। কিন্তু শনিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়। পাকিস্তানি সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী লশকর-ই-ত্যায়বায় ছায়া সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ)। প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ২৫ জন পর্যটক এবং এক স্থানীয় গ্রামবাসী। লশকরের ছায়া সংগঠন টিআরএফ প্রথমে পহেলগাঁওয়ের জঙ্গিহানার দায় স্বীকার করেছিল। পরে সংগঠনের নামে প্রকাশিত অন্য একটি বিবৃতিতে সেই দায় অস্বীকার করা হয়। জানায়, পহেলগাঁও কাণ্ডে তাদের কোনও যোগ নেই।

কেল্লামে সন্ত্রাসবাদী হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ, সিআরপিএফ এবং সেনার যৌথবাহিনী তল্লাশি অভিযান (নিরাপত্তার পরিভাষায়, ‘কর্ডন অ্যান্ড সার্চ অপারেশন’ বা ক্যাসো) শুরু করে। রাতে অন্ধকারেই ড্রোন উড়িয়ে হামলাকারীদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু শনিবার সকাল পর্যন্ত জঙ্গিদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের সম্ভাব্য গোপন আস্তানার খোঁজেও তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিংহ সেনা ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে রাতেই সুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, ‘‘সন্ত্রাসবাদীরা ছাড় পাবে না। ওদের নির্মূল করা হবে।’’ সেই সঙ্গে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন এবং সমগ্র দেশ শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির পাশে রয়েছে।”

নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মতে, ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে লশকর সন্ত্রাসবাদীদের ২৬/১১ হামলার পরেই মূল চক্রী হাফিজ মহম্মদ সঈদ, জাকিউর রহমান লকভিরা ‘দ্য ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স’ (এফএএফটি)-সহ আন্তর্জাতিক নজরদারি এড়াতে এবং স্থানীয় জঙ্গিগোষ্ঠীর ভাবমূর্তি তুলে ধরতে লশকর-সমর্থিত তেহরিক লবাইক ইয়া মুসলিম (টিএলএম), ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) -এর মতো সংগঠন সক্রিয় করেছিল।


The Resistance Front Lashkar-e-Taiba Jammu and Kashmir Terrorist attack in Kulgam Kulgam Pahalgam Terror Attack Pahalgam terror attack

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy