আবার বিএমডব্লিউ দুর্ঘটনা মুম্বইয়ে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে বিপদ। সেতু থেকে নীচে পড়ে গেল ওই গাড়িটি। সেই দুর্ঘটনায় অন্তত তিন জন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল ৫টা ২০ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কোস্টাল রোড কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, মেরিন ড্রাইভ থেকে হাজি আলি এলাকায় যাওয়ার সময় একটি কালো রঙের দ্রুতগামী বিএমডব্লিউ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। মুম্বইয়ের কোস্টাল রোড সেতু থেকে গাড়িটি নীচে পড়ে যায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অতিরিক্ত গতি থাকায় চালক সেতুর উপর গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ফলে গাড়িটি সেতুর রেলিং টপকে উড়ে নীচে পড়ে।
ওই গাড়িতে চালক ছাড়াও তিন জন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনা নজরে আসতেই স্থানীয়েরা প্রথমে উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। গুরুতর জখম অবস্থায় চার জনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। নিহতদের মধ্যে এক জন ১৭ বছর বয়সি কিশোরও ছিল। এ ছাড়াও শানায় গজ্জাল নামে বছর একুশের এক যুবককে শনাক্ত করা গিয়েছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এক তরুণ। তাঁর বয়স আনুমানিক ২০।
আরও পড়ুন:
মুম্বই কোস্টাল রোড হল প্রায় সাড়ে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ফ্রিওয়ে। দক্ষিণ মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভকে বান্দ্রা এবং ওরলি সি লিঙ্কের সঙ্গে জোড়ে এই রাস্তা। অতিরিক্ত গতিই দুর্ঘটনার কারণ বলে প্রাথমিক ভাবে মনে হলে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ।
চলতি বছরের জুনে বদলাপুরের কাছে নির্মীয়মাণ দিল্লি-মুম্বই, মুম্বই-বডোদরা এক্সপ্রেসওয়ের অংশে বিএমডব্লিউ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন দু’জন। সে দিনটাও ছিল রবিবার। গত ২১ জুন জন্মদিনের পার্টি থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি। ওই বিলাসবহুল গাড়িতে তিন জন আরোহী ছিলেন। ঘটনাস্থলেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই দুর্ঘটনার নেপথ্যেও অতিরিক্ত গতির কথা জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।