Advertisement
E-Paper

সন্তান হারানোর যন্ত্রণা, বিচ্ছেদপর্বের ঝড়ঝাপটার মধ্যে নিজেকে কোন উপায়ে শান্ত রেখেছেন সেলিনা

জীবন বার বার কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে সেলিনা জেটলিকে। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তার মধ্যে ভাল থাকার জন্য তিনি কোন উপায় বেছে নিয়েছিলেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ অগস্ট ২০২৬ ১৬:০৬
বিপর্যস্ত জীবনে রোজ দেড় ঘণ্টা বেছে নিয়েছিলেন নিজের জন্য। শরীর-মন ভাল রাখতে কী করতেন সেলিনা জেটলি?

বিপর্যস্ত জীবনে রোজ দেড় ঘণ্টা বেছে নিয়েছিলেন নিজের জন্য। শরীর-মন ভাল রাখতে কী করতেন সেলিনা জেটলি? ছবি:সংগৃহীত।

তারকা মানেই যে সুখের জীবন, তা নয়। বরং সেলিনা জেটলির জীবনের গল্প হৃদয়বিদারক। গত কয়েক বছরে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে বয়ে গিয়েছে ঝড়। তা নিয়ে একাধিক সাক্ষাৎকারে খোলাখুলি কথাও বলেছেন মডেল-অভিনেত্রী। স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদ এবং গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ, তিন সন্তানের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া, এক সন্তানের মৃত্যু, সব মিলিয়ে একের পর এক বিপর্যয় নেমে এসেছে তাঁর জীবনে।

জীবনের এই কঠিন অধ্যায়ে কী ভাবে শারীরচর্চা তাঁকে ক্ষণিকের মুক্তি দিয়েছে, আবেগঘন পোস্টে সে কথাই তুলে ধরেছেন সেলিনা। নিজের জন্য বার করা ওই সময়টুকুকেই বিচ্ছেদ মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে প্রয়োগও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বরাবরই শারীরচর্চা করতে পছন্দ করেন সেলিনা জেটলি। দু’বার যমজ সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরে, সংসার-সন্তান সামলেও তিনি নিয়ম করে ওই একটি অভ্যাসই এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। সেলিনার কথায়, ‘‘শারীরচর্চার ওই সময়টুকুতেই আমি রাগ, উদ্বেগ, হতাশা, ক্ষোভ ভুলে থাকার চেষ্টা করতাম।’’

স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ তুলে ২০২৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন সেলিনা। তিনি জানান, বিচ্ছেদপর্বে, ওই দেড় ঘণ্টার শারীরচর্চার বিষয়টিকে ‘আত্মনিমগ্নতা’ হিসাবে আদালতে উত্থাপন করে তাঁর বিরুদ্ধে হাতিয়ার করা হয়।

অভিনেত্রীর আক্ষেপ, ‘‘রান্না, সাফাই, সন্তানদের দেখভাল, যাবতীয় কাজকর্ম সেরে আমি নিজের জন্য রোজ দেড় ঘণ্টা সময় বার করেছি। আর তার জন্যই আমায় আদালতে প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে।’’

সেলিনা একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সন্তানদের ছেড়ে থাকার কষ্ট, মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার কথা। তবে কখনওই শারীরচর্চায় ছেদ পড়তে দেননি তিনি।

শারীরচর্চা কী ভাবে মনের ক্ষতে প্রলেপ দিতে পারে

· শারীরচর্চার ফলে পেশি সঞ্চালন হয়। অস্থিসন্ধির ব্যায়াম হয়। ফলে মস্তিষ্ক-সহ সমগ্র শরীরেই রক্ত প্রবাহ বাড়ে। শরীর-মন চনমনে থাকে।

· ব্যায়াম করলে এন্ডরফিনের মতো ‘সুখী হরমোন’-এর নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, যা মানসিক চাপ কমায়। ডোপামিন এবং সেরোটোনিন-এর মাত্রাও বাড়ে এতে, যা বিষণ্ণতা দূর করে।

· ওজন তোলার সময়ে সেই দিকেই মন দিতে হয়। ফলে সাময়িক ভাবে ক্ষোভ, যন্ত্রণা, খারাপলাগা ভুলে থাকা সম্ভব হয়। শারীরচর্চায় যথেষ্ট শারীরিক পরিশ্রম হয় বলে ঘুমও ভাল হয়। তাতেও মানসিক চাপ কমে।

Celina Jaitly Excercise Mental Health

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy