খেতে যেমন ভালবাসেন, তেমনই ভালবাসেন রাঁধতে। রান্নার দিকে বরাবরই ঝোঁক রয়েছে অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার। ছোটপর্দায় এর আগেও সঞ্চালকের ভূমিকায় অঙ্কুশকে দেখেছেন দর্শক, তবে এই প্রথম ‘রান্নার শো’-এর সঞ্চালক হিসাবে দেখা যাবে অভিনেতাকে।
‘রান্নার শো’-এর প্রচারপর্বের মাঝেই আনন্দবাজার ডট কমকে সাক্ষাৎকার দিলেন অঙ্কুশ। রান্নার প্রসঙ্গ উঠলেই সবার আগে মায়ের হাতের রান্নার কথা মনে পড়ে অভিনেতার। মায়ের হাতে বানানো পাঁঠার মাংসের পাতলা ঝোল হোক বা আলুপোস্ত, সবই তাঁর বড্ড প্রিয়। মায়ের রান্নার পাশাপাশি সঙ্গী ঐন্দ্রিলা সেনের রান্নারও ভক্ত তিনি। ঐন্দ্রিলার সঙ্গে তাঁর মায়ের রান্নার প্রতিযোগিতা হলে জিতবে কে? প্রশ্ন শুনেই হেসে ফেললেন অভিনেতা। বললেন, ‘‘মায়ের রান্নার কোনও তুলনা হয় না। তবে একথা আমার মা-ও মনে করেন যে ঐন্দ্রিলা অনেক রকমের রান্না পারে। আমি ওর কাছে যে খাবার খাওয়ার আবদার করি, সেটাই ও দক্ষ হাতে বানিয়ে দেয় আমার জন্য। রান্নার জন্য ওর সমাজমাধ্যম দেখার প্রয়োজন হয় না। সব ধরনের রান্না করতে পটু। তাই এ ক্ষেত্রে ঐন্দ্রিলাকেই এগিয়ে রাখব।’’
আরও পড়ুন:
সময় পেলেই নাকি রান্না করেন অঙ্কুশ। মায়ের পাশাপাশি ঐন্দ্রিলাকেও রেঁধে খাইয়েছেন বহুবার। তবে অন্য রান্নার তুলনায় মিষ্টির পদ বানাতেই বেশি পছন্দ করেন তিনি। পুজোর ক’দিনও কি ডায়েট করেন তিনি? অঙ্কুশ বললেন, ‘‘একেবারই না। সারা বছর ডায়েট করি পুজোর পাঁচদিন খাব বলে। ওই ক’দিন অনিয়ম করার জন্যই বরাদ্দ।’’
রান্নার শো ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’-এর প্রচারে সঞ্চালক অঙ্কুশ হাজরার সঙ্গে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী। —নিজস্ব চিত্র।
পুজোর সময়ে অঙ্কুশের জন্য স্ট্রিটফুড ‘মাস্ট’ । পুজোর সময় কী কী খেতে ভালবাসেন তিনি? অভিনেতা বলেন, ‘‘বাকি খাবার বছরের অন্য সময়ে খাওয়া হলেও রাস্তার ধারের খাবারগুলি খুব কম খাওয়া হয়। পুজোর সময়ে তাই ফুচকা, ঠেলার চাউমিন, মালাই লস্যি, এ ক’টা খাবার আমি খাবই খাব। আর হ্যাঁ, ওই সময়টা নরম পানীয় খেতেই হবে! ওটি ছা়ড়া পুজো চলে না।’’
রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় সোনি আট আর সোনি লিভ-এ ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ন’টা থেকে প্রচারিত হবে রান্নার শো ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’। এই শো-এর সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকছেন অঙ্কুশ। শো-এ প্রতিযোগী হিসাবে দেখা যাবে কাঞ্চন মল্লিক, শ্রীময়ী চট্টোরাজ, ইমন চক্রবর্তী, রূপাঞ্জনা মিত্র, দর্শনা বণিক, প্রেরণা দাস, ঊষসী রায়, সুস্মিত মুখোপাধ্যায়, সায়ন ঘোষ, সৌমিতৃষা কুন্ডু, সৌরভ দাস, অন্বেষা হাজরা, সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়কে। এই শো-এ রান্না হবে হাসির ফোড়নের সঙ্গে।