৫৩-য় পা দিলেন ঐশ্বর্যা রায় বচ্চন। পঞ্চাশোর্ধ্ব অভিনেত্রীর রূপের ছটায় মাত অনুরাগীমহল। তাঁর ত্বকের জেল্লা এবং ব্যক্তিত্ব বার বার নজর কাড়ে। অথচ নিজের রূপচর্চার জন্য খুব জটিল কোনও নিয়মের কথা বলেন না তিনি। বচ্চন পরিবারের বধূর রূপের নেপথ্যে রয়েছে তিন টোটকার মূলমন্ত্র। যা এতই সহজ যে, হতবাক হয়ে যেতে পারেন অনেকেই।
দামি প্রসাধনী, সালোঁর ট্রিটমেন্ট নয়, বরং পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত জল পান এবং নিয়মিত ময়শ্চারাইজ়ার ব্যবহারের উপরেই জোর দেন ঐশ্বর্যা। ২০২৩ সালের একটি সাক্ষাৎকারে নিজের সৌন্দর্যচর্চার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ত্বকের যত্নের সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর অভ্যাস হল শরীরকে আর্দ্র এবং পরিচ্ছন্ন রাখা। অভিনেত্রীর কথায়, প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও এই দু’টি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন শরীরের প্রভাব বাইরের রূপেও পড়ে।
যখন তাঁর কেরিয়ার মধ্যগগনে, তখন এত সময় ছিল না যে নিজের রূপের যত্ন নেবেন। তাই এখন সারাদিনে শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী জল পান করার অভ্যাস গড়ে তোলার উপর জোর দেন অভিনেত্রী। আর তাঁর মতে, সুন্দর থাকার সবচেয়ে সহজ পন্থাগুলির একটি হল জল পান করা। তা ছাড়া পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলেও রূপে তার প্রভাব পড়ে।
ত্বকের যত্নে ঐশ্বর্যার আর একটি নিয়ম হল দিনে দু’বার ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার। সকালে দিনের কাজ শুরু করার আগে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজ়ার লাগানো তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস। ছোটবেলা থেকেই কাজের জগতে থাকায় এই অভ্যাস ধীরে ধীরে তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে বলে বক্তব্য অভিনেত্রীর।
সৌন্দর্য নিয়ে ঐশ্বর্যার আরও একটি উপলব্ধি এবং উপদেশ, নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের স্বাভাবিক সত্তাকে গ্রহণ করাই সবচেয়ে জরুরি। নিজের চেহারা নিয়ে স্বচ্ছন্দ বোধ করা এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠার মধ্যেই প্রকৃত সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে।