ছিমছাম সাজ অনেকেরই পছন্দ। ভারী মেকআপের বদলে নো-মেকআপ লুকের কদর এখন বেশি। যদি মেকআপ ছাড়াই আকর্ষণীয় দেখাতে হয়, তা হলে ত্বক ঝকঝকে হতে হবে। দাগছোপ বা ব্রণ-ফুস্কুড়ির আধিক্য থাকলে চলবে না। পুজোয় কম সাজে এবং কম মেকআপেও সুন্দর দেখাতে হলে একটি বিশেষ ফেশিয়াল এখন থেকেই করিয়ে নিতে হবে। সেটি হল কার্বন পিল ফেশিয়াল। বলিউড ও হলিউড তারকাদেরও পছন্দের এই ফেশিয়াল। অনেকেই এটিকে বলেন ‘কার্বন লাঞ্চটাইম ফেশিয়াল’। আবার ‘হলিউড ফেশিয়াল’ নামেও এর পরিচিতি রয়েছে। কম সময়ে করা যায় এবং ত্বক ঝলমলে থাকে দীর্ঘদিন। কলকাতাতেও হচ্ছে এমন সৌন্দর্যচর্চা।
কার্বন পিল ফেশিয়ালের বিশেষত্ব
সাধারণ ফেশিয়াল নয়। একধরনের সৌন্দর্য থেরাপিই বলা যায়। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা, দাগছোপ তুলে ফেলা, ব্রণ-র্যাশের সমস্যার সমাধান করতে এই ফেশিয়ালের কদর বাড়ছে। এটি লেজ়ার দিয়েও করা হয়। প্রথমে মুখে তরল কার্বনের একটি পাতলা স্তর লাগানো হয়। কার্বন ত্বকের তেল ও ময়লা শুষে নেয়। এরপর একটি বিশেষ লেজ়ার দিয়ে ওই কার্বন কণাগুলি ভেঙে ফেলা হয়। এতে উন্মুক্ত রন্ধ্রের সমস্যা দূর হয়, ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব দূর হয়। ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:
ক্লান্ত ত্বককে সজীব করে তুলতেও এই ফেশিয়াল করানো হয় ইদানীং। এটি ত্বকের পুনরুজ্জীবনে সাহায্য করে। চামড়া ঝুলে গেলে তা আবার টানটান হয়েছে মনে হবে। তাই অনেক ক্লিনিকে এর সঙ্গে কার্বোক্সিথেরাপিও করা হয়। এতে ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়ে। দীর্ঘদিন ধরে নানারকম রাসায়নিক মেশানো প্রসাধনী ব্যবহার করে যাঁদের ত্বকের অবস্থা বেহাল হয়ে গিয়েছে, তাঁরা এই থেরপি করিয়ে ত্বকের জেল্লা ফিরে পেতে পারেন।
সালোঁ বা বিউটি ক্লিনিকে এই ফেশিয়ালের খরচ শুরু হয় প্রতি সেশনে ২৫০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা। তবে ত্বকে দাগছোপ বা ব্রণ বেশি থাকলে, খরচ আরও বাড়ে। এই ধরনের সৌন্দর্য থেরাপি করানোর আগে সবসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এগ্জ়িমা বা সোরিয়াসিসের মতো চর্মরোগ থাকলে, এই থেরাপি না করানোই ভাল।