এক সময়ে ব্যাগে ঝোলানো ছোট্ট চার্ম ছিল ট্রেন্ড। এখন সেই জায়গা দখল করেছে জুতোর চার্ম। জুতো এখন ফ্যাশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আর তাই পোশাক, ব্যাগ, ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জুতোকেও নিজের মতো করে সাজিয়ে তোলার প্রবণতা বেড়েছে। সাধারণ ক্লগস, স্নিকার্স, ক্যানভাস জুতোয় বিভিন্ন রং, নকশা ও থিমের চার্ম লাগিয়ে তাকে মন মতো করে নিচ্ছেন অনেকেই।
সোজা কথায়, শু চার্ম হল জুতোর গয়না। লেদার, রেক্সিন সব ধরনের জুতোর সঙ্গেই মানানসই। চার্মের মধ্যে নামের আদ্যক্ষর, কার্টুন চরিত্র, টেডি বেয়ার, খেলনা-খাবারের মোটিফ, ছোট্ট আলো, হার্ট, স্টার বেশ জনপ্রিয়। ইভল আই মোটিফও এখন ট্রেন্ডিং। শুধু বাচ্চা বা মেয়েরা নয়, ছেলেদের জুতোতেও চার্মের প্রবণতা বাড়ছে। কখনও ফুটবল, কখনও পছন্দের গাড়ির মোটিফ... তবে শুধু ক্যাজ়ুয়াল পোশাকের সঙ্গে নয়, অফিস পার্টির দিনে ফর্মালসের সঙ্গেও একটা মুক্তো কিংবা স্টোনের শু চার্মে কেতাদুরস্ত দেখাবে নিঃসন্দেহে।
তবে সব চার্ম সব জুতোর জন্য নয়। ক্লগস বা ক্রক্সের জন্য প্লাগ-ইন চার্ম, স্নিকার্স বা ক্যানভাসের সঙ্গে লেস চার্ম ভাল। জুতোর ফিতের সঙ্গে লাগানো হয় এই চার্মগুলো। বুটস কিংবা ফ্যাশন স্নিকার্সে লাগাতে পারেন চেন চার্ম। হাই হিল বা পার্টি শু-তে মুক্তো, ক্রিস্টালের চার্ম লাগালে নজর কাড়বে। রোজকার জুতোর সঙ্গে ক্লিপ-অন, স্টিকার বা ম্যাগনেটিক চার্ম ব্যবহার করতে পারেন। এটা বারবার খোলা-পরা সহজ।
সাধারণত দু’-তিনশো টাকা থেকে দাম শুরু, স্টোন বা মুক্তোর চার্মের দাম আর একটু বেশি। চার্মের উপাদান, টেকসই কি না, ওজন কতটা— কেনার আগে তার খেয়াল রাখা জরুরি। খুব ভারী বা অতিরিক্ত চার্ম ব্যবহার করলে হাঁটতে অস্বস্তি হতে পারে। রোজ একঘেয়ে জুতো পরে ক্লান্ত হয়ে গেলে চার্ম লাগিয়ে টুক করে বদলে নিতে পারেন জুতোর নকশা।