গরম জলে কয়েক ফোঁটা তরল সাবান দিয়ে চুল আঁচড়ানোর চিরুনিটি ভিজিয়ে রাখেন কিছুক্ষণ। তার পর অন্য একটি ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে চিরুনি পরিষ্কার করে নেন। আর কী! দিনের পর দিন একটিই চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে চলেছেন অনেকেই। চুল পড়ে যাওয়ার নেপথ্যে চিরুনিরও ভূমিকা অনেক।
কেশসজ্জাশিল্পীরা বলছেন, চুলের যত্নে চিরুনির ভূমিকা কিছু কম নয়। তাই সপ্তাহে এক-দু’বার চিরুনি ধুয়ে নিলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না। তার জন্য নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেটি বদলে ফেলা প্রয়োজন। কিন্তু কত দিন অন্তর চিরুনি বদলানো জরুরি?
১) যদি দেখেন চিরুনির ‘ব্রিসল্স’ বা দাঁতে ফাটল ধরেছে, তা হলে অবশ্যই তা বদলে ফেলা উচিত। চিরুনির মান যদি ভাল না হয়, তা হলে মাথার ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলিকলে আঘাত লাগলে চুল ঝরে পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। আবার, ব্যবহার করতে করতে অনেক সময়ে চিরুনির সাজানো ব্রিসল্স মাঝখান থেকে একটি করে খুলে পড়ে যেতে পারে। এই লক্ষণ দেখলেও বোঝা যায়, চিরুনি বদলানোর সময় আসন্ন।
২) মাথায় কোনও রকম সংক্রমণ হলে, সেই সংক্রমণ সেরে যাওয়ার পর আর পুরনো চিরুনি ব্যবহার করবেন না। সঙ্গে সঙ্গে বদলে ফেলুন চিরুনি।
৩) কাঠের চিরুনি কালচে হয়ে গেলে বা প্লাস্টিক হলদেটে হলে বুঝতে হবে তার আয়ু শেষ।
চুলের কায়দা করার সময়ে নানা ধরনের রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করা হয়। চুলের ক্ষতি আটকাতে সরাসরি চুলে স্প্রে না দিয়ে অনেকে চিরুনি বা ব্রাশের গায়ে তা মাখিয়ে নেন। তাতে চিরুনির মান আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে একটি চিরুনি মাস ছয়েকের বেশি ব্যবহার করা যায় না। যদি তা না-ও করেন, সে ক্ষেত্রে চুল আঁচড়ানোর ব্রাশ বা চিরুনিগুলি বছরে অন্তত এক বার বদলে ফেলা উচিত।