শারীরিক যন্ত্রণা হোক বা মানসিক ক্লান্তি— সবই ফুটে ওঠে চোখে। কর্মব্যস্ত জীবনে নিজের প্রতি যত্ন নেওয়া বেশির ভাগ মানুষের পক্ষেই সম্ভব হয় না। কাজের চাপে ক্লান্তি বাড়ছে। ঘুমও কম হচ্ছে অনেকের। অনিদ্রা বা কাজের চাপ— কারণ যাই হোক না কেন তার ছাপ সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে চোখে। দু’চোখের নীচে বাড়তে থাকা কালো ছাপ সেটাই জানান দেয়। তা ছাড়া ঘুমের ঘাটতি, হরমোনের তারতম্য, মানসিক বা শারীরিক সমস্যা, বয়সজনিত সমস্যাও হতে পারে চোখের নীচে কালি পড়ার কারণ।
চোখের কালি দূর করতে কী কী করণীয়?
প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষের রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা টানা ঘুম জরুরি। সেই সময় মোবাইল, ল্যাপটপ বা যে কোনও বৈদ্যুতিন গ্যাজেট দূরে রাখুন। রাত জেগে কাজ করতে হয় যাঁদের, তাঁদের খুব তাড়াতাড়ি চোখের নীচে কালি পড়তে দেখা যায়। তা ছাড়াও রাত জেগে টিভি, ওয়েব সিরিজ় দেখার অভ্যাস থাকলে চোখেরও আরাম হয় না। চোখের কালি তুলতে হলে আগে চোখকে আরাম দিতে হবে।
আরও পড়ুন:
অতিরিক্ত ধূমপান করলে শরীরে জলের পরিমাণ কমতে থাকে। যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে। ত্বকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন হল কোলাজেন। এই প্রোটিনের মাত্রাও নষ্ট হয়। ফলে চোখের তলায় কালি পড়তেই পারে। তাই ধূমপান এড়িয়ে চলাই ভাল।এখনকার সময়ে মানসিক চাপ থেকে রেহাই নেই কারও। কিন্তু অতিরিক্ত উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা শরীরের পাশাপাশি মনকেও ক্নান্ত করে। তার ছাপ পড়ে চোখেও। মানসিক চাপ বাড়লে হরমোনেরও তারতম্য হয়। তাই মনের চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে চোখের কালি তোলাও খুব মুশকিল।
কী কী মাখবেন?
আঙুলে কয়েক ফোঁটা পুদিনার তেল নিয়ে চোখের নীচে ভাল করে মালিশ করুন। ঠান্ডা অনুভূতি হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, চোখের ক্লান্তি কাটবে।
চোখের নীচে ফোলা ভাব, জ্বালা বা যন্ত্রণা থাকলে শসা ও পুদিনার তেলের আই-মাস্ক খুবই কার্যকরী হতে পারে। শসার কয়েকটি টুকরো গোল গোল করে কেটে নিন। এ বার চোখের উপর শসার টুকরো রেখে তার উপর কয়েক ফোঁটা পুদিনার তেল ঢালুন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে চোখ ধুয়ে ফেলুন। এতে চোখের আরামও হবে, চোখের নীচের ফোলা ভাবও কমে যাবে।